ছবি:সংগৃহীত
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা, জল্পনা-কল্পনা ও প্রস্তুতি। দুই উপজেলার জনপদ এখন সরব নির্বাচনী আলাপে-চায়ের দোকান, হাট-বাজার, মসজিদ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে-কাকে চায় জনগণ?
এই আসনে চার দলের প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই মাঠে নেমেছেন। তারা হলেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, গণ-অধিকার পরিষদ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী। প্রত্যেকেই নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক শক্তি নিয়ে ভোটারদের মন জয় করার প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত।
বিএনপি প্রার্থী: অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী
জামায়াত প্রার্থী: মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন
গণ-অধিকার পরিষদ প্রার্থী: অ্যাডভোকেট জাহিদুর রহমান
জমিয়ত প্রার্থী: হাফিজ ফখরুল ইসলাম
ধর্মীয় চিন্তাধারার ধারক ও ইসলামী সংগঠনের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হাফিজ ফখরুল ইসলাম জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে মাঠে সরব। তিনি ধর্মপ্রাণ ভোটারদের সমর্থন পেতে মসজিদ-মাদরাসা, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখছেন।
ভোটের সমীকরণে অনিশ্চয়তা
চার প্রার্থীই মাঠে সক্রিয় থাকলেও ভোটারদের মনোভাব এখনো পরিষ্কার নয়। কেউ মনে করেন বিএনপির এমরান আহমদ এগিয়ে, আবার কেউ জামায়াতের সেলিম উদ্দিনকে দেখছেন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে। তরুণ ভোটারদের মধ্যে জাহিদুর রহমানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে, আর ধর্মীয় ভোটারদের একটি অংশ ফখরুল ইসলামের দিকে ঝুঁকতে পারেন বলেও ধারণা রাজনৈতিক মহলে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের এই আসনে ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি, সংগঠনিক শক্তি ও এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনাই নির্ধারণ করবে শেষ হাসি কার মুখে ফোটে।
সব মিলিয়ে সিলেট-৬ আসনে এখন নির্বাচনী উত্তেজনা তুঙ্গে, প্রার্থীরা মাঠে ব্যস্ত ভোটারদের মন জয় করতে-আর ভোটাররা অপেক্ষা করছেন এক ঐতিহাসিক নির্বাচনী রায়ের।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




