ছবি:সংগৃহীত
সিলেট-বিয়ানীবাজার-বারইগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কে বুধবার ভোর রাতে টায়ার জ্বালিয়ে মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তৎপর হয়ে ওঠে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ।
ভিডিওটি ইংল্যান্ডপ্রবাসী যুবলীগ নেতা জাকারিয়া মাহমুদ তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপলোড করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, বিয়ানীবাজারকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে প্রবাস থেকে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম জাকারিয়া মাহমুদ।
ভিডিওতে দেখা যায়, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ‘ঢাকা লকডাউন সফল করো’, তারা জাকারিয়া মাহমুদের নামেও স্লোগান তোলে।
এদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের ঘোষিত বৃহস্পতিবারের ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচিকে ঘিরে বিয়ানীবাজারে যে কোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে থানা পুলিশ।
বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুজ্জামান জানান, অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা হলে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না। বুধবার সন্ধ্যার পর থেকেই উপজেলার প্রতিটি অলিগলিতে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার পৌরশহর ও সিলেট-বিয়ানীবাজার সড়কসহ অন্যান্য এলাকায় কোনো ধরনের জমায়েত বা মিছিল করতে দেওয়া হবে না।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে নিয়মিত মামলার আসামি, পরোয়ানাভুক্ত ও সন্দেহভাজনদের আটক করা হচ্ছে।
ওসি আশরাফুজ্জামান আরও বলেন,‘ কোনো পাড়ার গলিপথে টায়ার জ্বালিয়ে মহাসড়কে বিক্ষোভ হয়েছে বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ঘটনাস্থলে এমন কিছু পাওয়া যায়নি। অন্য কোথাও ঘটনাটি ঘটিয়ে তা মহাসড়কের ভিডিও হিসেবে প্রচার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।,
তিনি বলেন, ‘বিয়ানীবাজারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শক্ত অবস্থানে রয়েছে। কোনো অরাজকতা বা অপ্রীতিকর ঘটনার সুযোগ দেওয়া হবে না। সন্ত্রাসীদের কোনো ছাড় নেই।’
পুলিশ জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকটি স্পট চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এসব এলাকায় সন্দেহভাজনদের ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। প্রয়োজনে কাউকে ভিড় করতেও দেওয়া হবে না।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




