ছবি:সংগৃহীত
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ও সিলেট-৪ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান বলেছেন, ‘আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়তে চাইলে বিএনপির ৩১ দফাই মানুষের মুক্তির সনদ। আগে নিজেরা পুরো ৩১ দফা বুঝতে হবে, তারপর তা মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।’
সম্প্রতি জৈন্তাপুর বাজারে তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা তুলে ধরার লক্ষ্যে প্রচারপত্র বিতরণ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অ্যাডভোকেট জামান বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর দেশ নির্বাচনহীন স্বৈরাচারের যাঁতাকলে পিষ্ট ছিল। গুম, খুন, বিচারহীনতা-এসবকে নিয়মে পরিণত করে রাষ্ট্রকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছিল। ২০১০ সালে বেগম খালেদা জিয়াকে এক কাপড়ে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল; যারা তাকে ঘর ছাড়া করেছিল, আজ তারা দেশ ছাড়া।’
তিনি আরও বলেন, “যারা তারেক রহমানের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল, তারা আজ পলাতক।’
‘ইলিয়াস আলীকে গুম করে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে দমিয়ে রাখা যায়নি’
বিএনপির এ নেতা নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলীর প্রসঙ্গ টেনে বলেন,‘যারা ইলিয়াস আলীকে গুম করেছিল, তারা ব্যর্থ হয়েছে। আজ ঘরে ঘরে ইলিয়াস আলীর আদর্শ তৈরী হয়েছে। গুমচক্রের দোসররা এখনো সক্রিয়। তারা টার্গেট কিলিং ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আমাদের মনোবল ভাঙতে চায়। কিন্তু আমরা তা হতে দেব না। প্রয়োজনে তাদের মাটির গর্ত থেকেও খুঁজে বের করা হবে।’
সিলেট-৪ আসনে মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,‘আমি একজন প্রার্থী মাত্র। দল যাকে মনোনয়ন দেবে, আমরা তাকে নিয়েই মাঠে নামব। ধানের শীষ ও তারেক রহমান-এটাই আমাদের পরিচয়। পদ-পদবী নয়, দেশের স্বাধীনতা ও দলের স্বার্থই বড়।’
তিনি আরও বলেন,‘বড় জনসভার চেয়ে এখন প্রয়োজন ছোট ছোট উঠান বৈঠক, ১০-২০ জনের গ্রুপ মিটিং। এখানেই মানুষের কাছে ৩১ দফার বার্তা সবচেয়ে কার্যকরভাবে পৌঁছানো যায়। ২০১৪ সালে জৈন্তাপুর যে ভূমিকা রেখেছিল, এবারও সীমান্ত অঞ্চলের অতন্দ্র প্রহরীর মতো সতর্ক থাকতে হবে।’
মতবিনিময় শেষে তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে জৈন্তাপুর বাজারে ৩১ দফার প্রচারপত্র বিলি করেন এবং ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ পরিচালনা করেন।
এ সময় বিপুল সংখ্যক উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




