ডে*ঙ্গু ঝুঁ*কি মো*কাবিলায় আগাম পদক্ষেপ নিয়েছে সিসিক
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০১:০৩ AM

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিলেটে সচেতনতামূলক র‌্যালিতে সিসিক প্রশাসক

ডে*ঙ্গু ঝুঁ*কি মো*কাবিলায় আগাম পদক্ষেপ নিয়েছে সিসিক

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯/০৬/২০২৬ ১১:২১:৩৫ PM

ডে*ঙ্গু ঝুঁ*কি মো*কাবিলায় আগাম পদক্ষেপ নিয়েছে সিসিক

ছবি:সংগৃহীত


সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে নগরভবন প্রাঙ্গণ থেকে র‌্যালিটি বের হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নগরভবনে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

র‌্যালি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘আমরা একটি ডেঙ্গুমুক্ত নগরী গড়ে তুলতে চাই। এ লক্ষ্যেই ডেঙ্গুর মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এখন মৌসুম শুরু হয়েছে, তাই নগরবাসীকে আরও সচেতন হতে হবে।’

তিনি বলেন, বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। সবাই সচেতন ও দায়িত্বশীল হলে অতীতের মতো এবারও সিলেটে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

সিসিক প্রশাসক জানান, এখন পর্যন্ত নগরীতে কোনো ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে আক্রান্ত হওয়ার অপেক্ষা না করে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ এবং বিভিন্ন প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি জুমার খুতবায় ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরার জন্যও অনুরোধ জানানো হবে।

মশক নিধন কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনের নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আগামী মাস থেকে প্রতিটি বাসাবাড়িতে গিয়ে এডিস মশার লার্ভা রয়েছে কি না তা পরীক্ষা করা হবে। কোথাও লার্ভা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে এর উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করা হবে।

সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, নগরবাসীর সহযোগিতাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রথম পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। কোনো বাসাবাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পরিবর্তে সচেতনতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, প্রতিটি এলাকায় লার্ভা নিধনের ওষুধ নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা স্প্রে করে লার্ভা ধ্বংস করা হবে।

সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, পূর্বের বছরের মতো এবারও সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। কোনো ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলে সিসিকের কুইক রেসপন্স টিম তাৎক্ষণিকভাবে আক্রান্ত ব্যক্তির বাসা ও আশপাশের অন্তত ২০টি বাড়িতে অনুসন্ধান চালাবে এবং এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে তা ধ্বংস করবে।

র‌্যালিতে সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) একলিম আবদীনসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ



শীর্ষ সংবাদ: