ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ ক্রিকেটে চন্ডিকা হাথুরুসিংহের অধ্যায় যে শেষ হয়েও হলো না শেষ। কারণ, গত বছরের অক্টোবরে হাথুরু বরখাস্ত হলেও ফারুক আহমেদ বিসিবি সভাপতি থাকার সময় বারবার আলোচনায় এসেছিলেন তিনি (হাথুরু)। ফারুকের চেয়ার বদলানোর পর ফের আলোচনায় হাথুরু।
হাথুরুকে নিয়ে আলোচনা সেই ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ থেকেই। ভারতে অনুষ্ঠিত সেই বিশ্বকাপে নাসুম আহমেদকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে হাথুরুর বিরুদ্ধে। সেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স নিয়ে যে তদন্ত কমিটি হয়েছিল, সেটার প্রধান ছিলেন মাহবুব আনাম। আজ যখন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন সভাপতি হয়ে আমিনুল ইসলাম বুলবুল এলেন, তখন মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে আসেন বোর্ড পরিচালকেরা। ২০২৩ বিশ্বকাপে নাসুম-হাথুরু কাণ্ড নিয়ে ফের প্রশ্ন করা হয়েছে বিসিবির এই বোর্ড সভায়। বিসিবি পরিচালক বলেন, ‘যদি নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পেতাম, তাহলে আমাদের প্রতিবেদনে সেটা থাকত। তখনই প্রকাশ পেত।’
২০২৪ সালের অক্টোবরে হাথুরুকে বরখাস্ত করার কারণ হিসেবে নাসুমকে চড়কাণ্ডের কথা উল্লেখ করেছিলেন তৎকালীন বিসিবি সভাপতি ফারুক। ফারুকের সেই কথার প্রসঙ্গ টেনে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, মাহবুব আর কথা বাড়াতে চাননি। মাহবুব বলেন, ‘আমি যেটা বলেছি, সেটাই সঠিক। আপনি আমার উত্তর পেয়ে গেছেন।’
ফারুকের বিসিবি সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে গতকাল দিনভর চলছিল নানা আলোচনা। যে এনএসসির মাধ্যমে বোর্ড পরিচালক হয়ে বিসিবি সভাপতি হয়েছিলেন, সেই সূত্রে তাঁকে অপসারণ করা হয়েছে। অপসারণের আগে তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয় যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার কাছে। সেখানে আট পরিচালকের স্বাক্ষর ছিল। একমাত্র আকরাম খানই সেই চিঠিতে স্বাক্ষর করেননি। এ ব্যাপারে আকরাম আজ বলেন, ‘এটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। গণমাধ্যমকে বলতে চাই না।’
২০২৪ সালের ২১ আগস্ট নাজমুল হাসান পাপনের পদত্যাগের পর বিসিবি সভাপতির চেয়ারে বসেছিলেন ফারুক। এনএসসির মাধ্যমে বোর্ড পরিচালক হয়ে সেদিনই বিসিবি সভাপতি হয়েছিলেন ফারুক। এবার এনএসসি পরিচালক পদে নিয়োগ দেয় বুলবুলকে। পরবর্তীতে তিনিই হয়ে যায় বিসিবির ১৬তম সভাপতি।
জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার




