গোয়াইনঘাটে গরু বিক্রি করতে লাগছে প্রত্যয়ন : ভোগান্তিতে ক্রেতা-বিক্রেতা
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১২:২৬ AM

গোয়াইনঘাটে গরু বিক্রি করতে লাগছে প্রত্যয়ন : ভোগান্তিতে ক্রেতা-বিক্রেতা

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা, স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১৯/০৪/২০২৫ ১২:৪৮:৩৬ PM

গোয়াইনঘাটে গরু বিক্রি করতে লাগছে প্রত্যয়ন : ভোগান্তিতে ক্রেতা-বিক্রেতা

ছবি : সংগৃহীত


গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল বাজারে গরু বিক্রি করতে লাগছে গরুর প্রত্যয়ন। তাই বাজারে বর্তমানে ক্রেতা-বিক্রেতার সংখ্যা সীমিত। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়ম করা হয়েছে, বাজারে গরু বিক্রয়ের জন্য চেয়ারম্যান অথবা মেম্বারদের দেওয়া প্রত্যয়নপত্র লাগবে। ফলে বাজারে কমেছে গরু ব্যবসায়ী ও ক্রেতার সংখ্যা। বিক্রেতারা আর্থিক লোকসানসহ ভোগান্তিতে পড়েছেন চার ইউনিয়নের মানুষ। 

শুক্রবার সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ক্রেতা আছে, কিন্তু বিক্রেতার সংখ্যা সীমিত। বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা খুব একটা না থাকায় কালেকশনের দায়িত্বপ্রাপ্তরা অলস সময় পার করছেন। 

ব্যবসায়ীরা জানান, বিগত বছরগুলোতে তোয়াকুল বাজারটি ছিল ইজারার আওতায়। কোনো ধরনের গরুর প্রত্যয়ন প্রয়োজন হয়নি। কিন্তু বর্তমানে গরুর প্রত্যয়ন ব্যতিত গরু বিক্রি করা যাচ্ছে না। ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ায় পহেলা বৈশাখ থেকে সরকার কর্তৃক খাস কালেকশনের মাধ্যমে গরু বিক্রি করা হচ্ছে। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতাকে। 

খাস কালেকশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত তহসিলদার মঞ্জুর আহমদ বলেন, প্রত্যয়নের কারণে বাজারে গরু বেচা-কেনা এখন পর্যন্ত হয়নি। 

তোয়াকুল ইউনিয়নের বিট অফিসার এসআই দিদারুল আলম খান বলেন, বাজারে গরু নিয়ে আসার পথে চাঁদাবাজি হচ্ছে- এমনটাই খবর শুনেছি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী বলেন, রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে আসা ভারতীয় গরু বন্ধের জন্য এই নিয়ম করা হয়েছে। এতে করে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও খামারিরা লাভবান হতে পারবেন। 


জৈন্তাবার্তা / রহমান