ছবি: নিজস্ব
প্রধান অতিথির বক্তব্য ও বুখারী শরীফের দরস প্রদান করেন জামিয়া কাসিমুল উলুম দরগাহ শাহজালাল রহ. সিলেটের প্রধান শায়খুল হাদিস আল্লামা মাহমুদ হুসাইন হাফিজাহুল্লাহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শায়খুল হাদিস আল্লামা মাহমুদ হুসাইন বলেন, আল্লাহর রাসূলের রিসালতের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব ছিল হিকমাহ্ শিক্ষা দেয়া। ইলমুল হাদিসের চর্চার মাধ্যমে এই হিকমাহ অর্থাৎ সুন্নাহ শত শত বছর ধরে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে। তাই ইলমুল হাদিস চর্চার মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ সা. এর নৈকট্য লাভ সম্ভব। তিনি ইলমে হাদীসের গুরুত্ব, দাওরায়ে হাদীসের ফজিলত, সহীহ বুখারীর বৈশিষ্ট্য ও হাদীস সংরক্ষণে ইমাম বুখারীর অবদানসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন।
তিনি শিক্ষার্থীদের হাদিসের জ্ঞান অর্জনে পরিপূর্ণ একাগ্রতার মাধ্যমে নিয়মিত দরসে উপস্থিত থাকতে এবং হাদিস স্মরণে রেখে চিন্তাভাবনা ও গবেষণা করতে শিক্ষার্থীদের নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভাপতির বক্তব্যে জামিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল মাওলানা শাহীনূর পাশা চৌধুরী এডভোকেট বলেন, দাওরায়ে হাদীস এমন একটি স্তর, যার সম্পর্ক সরাসরি রওযায়ে আতহার শরীফের সাথে যুক্ত। এই গুরুত্বপূর্ণ আমানতের হক যথাযথভাবে আদায় করে ইলমে হাদীসের জ্ঞানচর্চায় সবার দোয়া কামনা করছি। জামেয়ার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শুভাকাক্সক্ষীদের একাগ্রতা ও নিরলস প্রচেষ্টায় জামিয়া দারুল কুরআন সফলতা ও সুনামের সাথে আলেম তৈরির মাধ্যমে দ্বীনি খেদমত করে যাচ্ছে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জামিয়া কাসিমুল উলুম দরগাহ শাহজালাল রহ. সিলেটের স্বনামধন্য মুহাদ্দিস মুফতি আতাউল হক জালালাবাদী হাফিজাহুল্লাহ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এর কেন্দ্রীয় নায়বে আমির মাওলানা রেজাউল করিম জালালী।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামিয়া দারুল কুরআন সিলেট এর শায়খুল হাদিস মুফতি এহতেশামুল হক কাসেমী, মুফতি জাকারিয়া আহমদ, মুফতি আহসান আহমদ বাকের, মুফতি আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী, মুফতী আব্দুল বাসিত সুনামগঞ্জী, মুফতি নজমুল ইসলাম, মুফতি মিজানুল হক, মাওলানা কে এম ফয়েজ আহমদ, মাওলানা কাওছার আহমদ, মুফতি শেখ সাদি, মুফতি উসমান মাহমুদ, মাওলানা শুয়াইব আহমদ, মাওলানা জাকারিয়া আহমদ, মাওলানা মাহমুদ হুসাইন, হাফিজ বশির আহমদ প্রমুখ। দরস শেষে প্রধান অতিথির বিশেষ মোনাজাতে শিক্ষার্থীদের সাফল্য এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।
জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার




