জৈন্তাপুরে টি এস্টেটের ইজারা বাতিলের দা*বিতে মি*ছিল
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৮:০৫ PM

জৈন্তাপুরে টি এস্টেটের ইজারা বাতিলের দা*বিতে মি*ছিল

সাইফুল ইসলাম বাবু, জৈন্তাপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৭/০৫/২০২৫ ০২:৫৯:৩৪ AM

জৈন্তাপুরে টি এস্টেটের ইজারা বাতিলের দা*বিতে মি*ছিল


সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ৩নং চারিকাঠা ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দ্যা মেঘালয় টি এস্টেটের ইজারা বাতিলসহ উক্ত এলাকায় বসবাসরত পরিবারের নামে স্থায়ী বন্দোবস্ত প্রদানের দাবিতে ৩য় দফা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে একই দাবিতে গত ৫ মে মানববন্ধন এবং ৮ মে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

শনিবার (১৭ মে) বেলা ১১টায় পাঁচ মৌজাবাসীর আয়োজনে চারিকাঠা ভিত্রিখেল শাহী ঈদগাহ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে চারিকাঠা ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে এসে শেষ হয়। মিছিল পরবর্তী সময়ে দ্যা মেঘালয় টি এস্টেটের ইজারা বাতিল ও উক্ত এলাকায় বসবাসরত পরিবারগুলোকে স্থায়ী ভূমি বন্দোবস্ত দেয়ার দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

সমাবেশে স্থানীয় মুরুব্বি শামসুল হকের সভাপতিত্বে ও উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির নাজমুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন বিলাল। 

এসময় আরও বক্তব্য দেন ৩নং চারিকাঠা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল, ইউপি সদস্য মনির উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, জহিরুল ইসলাম, মাওলানা আবদুল খালিক, তাজুল ইসলাম, মখলিসুর রহমান, কবির আহমেদ, আমির আলী মেম্বারসহ অন্যান্যরা।

সমাবেশ শেষে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আবদুল মালিক।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, পাঁচ মৌজার মানুষের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে জারীকৃত অবৈধ ইজারা অনতিবিলম্বে বাতিল করতে হবে।

তারা বলেন, ইতোমধ্যে মানববন্ধন, বিক্ষোভ সমাবেশসহ আন্দোলন চলমান রয়েছে। গত ১৪ মে চারিকাঠা পাঁচ মৌজাবাসীর পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমি উপদেষ্টা আলি ইমাম মজুমদারের দপ্তরে উপস্থিত হয়ে দরখাস্ত প্রদান করেছে। বর্তমানে পাঁচ মৌজাবাসীর একটাই দাবি, দরখাস্ত প্রদানের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে যেন দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

তারা আরও বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল যেন চারিকাঠা এলাকায় আসে। তাতে উক্ত এলাকায় বসবাসরত পরিবারগুলোর বিষয়ে তাদের ধারণাগুলো স্পষ্ট হবে। এই এলাকা মানুষের বসবাসের উপযোগী কোনো টি এস্টেটের জন্য নয়। নিজ এলাকায় কোনো পরিবার ভূমিহীন কিংবা রোহিঙ্গাদের মত বেঁচে থাকতে চায় না।

এ সময় বক্তারা উপদেষ্টা বরাবর দরখাস্তের পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত সময়ের মধ্যে সংকট সমাধানের আহ্বান জানান। অন্যথায় নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় যেকোনো কঠোর কর্মসূচি দিতে পাঁচ মৌজাবাসী প্রস্তুত রয়েছে। প্রয়োজনে চারিকাঠা এলাকায় সীমাবদ্ধ না রেখে পুরো উপজেলার মানুষকে সাথে নিচে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দেন বক্তারা।

জৈন্তা বার্তা/আরআর



শীর্ষ সংবাদ: