ছবি : সংগৃহীত
আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা ২০২৫ উদযাপনকে কেন্দ্র করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার লক্ষ্যে আজ বিকাল ৩টায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের কনফারেন্স রুমে এক গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সম্মানিত পুলিশ কমিশনার ও অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মোঃ রেজাউল করিম, পিপিএম-সেবা।
সভায় আসন্ন ঈদ উপলক্ষে সড়ক, সেতু ও রেলপথে যাত্রী চলাচল নির্বিঘ্ন করার পাশাপাশি মার্কেট ও কোরবানির পশুর হাটসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
কমিশনার মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন, “নির্ধারিত হাটের ব্যানার থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন হাটের লোকজন জোরপূর্বক গরু নামিয়ে নেয়, যা একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নিতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “ফুটপাত কিংবা সড়কের ওপর গরুর হাট বসানো যাবে না, কারণ এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ও যানজট সৃষ্টি হয়।”
দূর-দূরান্ত থেকে আসা গরু ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে কমিশনার মহোদয় বলেন, “ব্যাপারিরা সাধারণত হাটেই রাত্রিযাপন করে থাকেন। কিন্তু তাদের অনেক সময় নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়তে হয়। এজন্য হাট কর্তৃপক্ষকে নিরাপদ অবস্থানের ব্যবস্থা নিতে হবে এবং ব্যবসায়ীদের একত্রে অবস্থানের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “ঈদ উপলক্ষে পশুর হাটে জাল টাকার লেনদেন বেড়ে যায়, যা ব্যাপারিসহ সাধারণ ক্রেতাদের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই সকলকে জালনোট সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে এবং প্রয়োজনে জালনোট শনাক্তকারী যন্ত্র বা প্রযুক্তির সাহায্য নিতে হবে।”
সভায় বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা, সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জৈন্তাবার্তা / রহমান




