আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নগরবাসীর যাতায়াত, কেনাকাটা ও কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় এসএমপির সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি মো. রেজাউল করিম, পিপিএম-সেবা।
সভায় ঈদকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি ও জনদুর্ভোগ প্রতিরোধে গৃহীত পদক্ষেপ এবং করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কোরবানির পশুবাহী ট্রাকের চলাচলে পথে পথে হয়রানি ও জোরপূর্বক গরু নামিয়ে নেওয়ার মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ড রোধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়। অনুমোদিত হাট ব্যতীত রাস্তাঘাট বা ফুটপাতে অস্থায়ী পশুর হাট বসানো যাবে না বলেও সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এছাড়া পশুর হাটের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় ইজারাদার কর্তৃক নির্ধারিত সংখ্যক কর্মী নিয়োজিত রাখা, হাটের পাশে ব্যাংকের বুথ খোলা রাখা, বাসস্ট্যান্ডে নির্ধারিত স্থান ছাড়া বাস দাঁড় না করানো এবং ঈদের ছুটিতে বাড়িঘর ফাঁকা থাকার সুযোগে চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধে নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় জানানো হয়, এ বছর সিলেটে কোরবানির পশুর চাহিদা ৮৩ থেকে ৮৪ হাজারের মতো হলেও প্রস্তুত রয়েছে লক্ষাধিক পশু। পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ও হাটে নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়। সভার সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের তদারকির জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণে একটি তদারকি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, কোরবানির পশুর হাটের ইজারাদারগণ এবং সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণ।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




