ছবি : সংগৃহীত
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে সিলেটে মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির শেষ দিনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শুক্রবার বিকেলে নগরীর কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের হলরুমে আয়োজিত এ সভায় বক্তারা জিয়াউর রহমানের অবদান নিয়ে আলোচনা করেন।
মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মো. সাজেদুল করিম এবং সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ সিলেটের আহ্বায়ক ডা. শামীমুর রহমান।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে একজন ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ক। তার অবদান কেবল মুক্তিযুদ্ধে সীমাবদ্ধ নয়—রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি বাংলাদেশকে একটি স্থিতিশীল ও উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রে রূপান্তরের পথ তৈরি করেন। তার গৃহীত উদ্যোগগুলো আজও দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোর ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
বক্তারা বলেন, শহীদ জিয়ার স্বপ্ন ছিল একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ, যেখানে প্রতিটি নাগরিক নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে। তিনি ছিলেন জনকেন্দ্রিক উন্নয়নের স্বপ্নদ্রষ্টা। তার নেতৃত্বের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের কল্যাণ এবং সেই আদর্শই আজকের রাজনীতির পথপ্রদর্শক হয়ে আছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ, ওলামা দল, ছাত্রদল, পেশাজীবী পরিষদসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা। আলোচনা সভা কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত ছিল ব্যাপক উপস্থিতি ও উৎসাহ।
সভাপতির বক্তব্যে রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, “শহীদ জিয়া আজও কোটি মানুষের হৃদয়ে জীবন্ত। তার কর্ম ও আদর্শ অনুসরণ করে আমরা গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবো।”
জৈন্তাবার্তা / রহমান




