সিলেট ও সুনামগঞ্জ সী*মান্তে পু*শইন, আ*টক ৭০
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১২:০৯ AM

সিলেট ও সুনামগঞ্জ সী*মান্তে পু*শইন, আ*টক ৭০

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২/০৬/২০২৫ ০২:১১:০৫ AM

সিলেট ও সুনামগঞ্জ সী*মান্তে পু*শইন, আ*টক ৭০


সিলেট ও সুনামগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক ৭০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে পুশইনের ঘটনা ঘটেছে। এসময় টহলরত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা ওই ৭০ জনকে আটক করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ভোররাতে বিজিবির সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) আওতাধীন জৈন্তাপুরের শ্রীপুর, মিনাটিলা, কোম্পানীগঞ্জের কালাইরাগ ও ছাতকের নোয়াকোট বিওপির সীমান্ত এলাকায় এই আটকের ঘটনা ঘটে।

৪৮ বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিট থেকে ৪টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বিএসএফ সদস্যরা সিলেটের নোয়াকোট, কালাইরাগ, শ্রীপুর এবং মিনাটিলা সীমান্ত দিয়ে একযোগে পুশইনের চেষ্টা চালান। তখন সতর্ক অবস্থানে থাকা বিজিবির টহল দল তাদের সবাইকে আটক করে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, আটককৃত ৭০ জনের মধ্যে পুরুষ ২২ জন, নারী ১৮ জন ও শিশু ৩০ জন। তাদের মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলার ৪৩ জন ও লালমনিরহাট জেলার ২৭ জন রয়েছেন।

সিলেট জেলার সীমান্ত এলাকায় মোট ৫৩ জন আটক হয়েছেন। তাদের মধ্যে কালাইরাগ বিওপি কর্তৃক ২টি পরিবারের মোট ১৩ জন আটক হন। এর মধ্যে পুরুষ ৪ জন, নারী ৩ জন ও শিশু ৬ জন। তাদের সকলের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলায়।

জৈন্তাপুর উপজেলায় ২টি পরিবারের মোট ১৭ জনকে আটক করে বিজিবি। তাদের মধ্যে পুরুষ ৪ জন, নারী ৪ জন ও শিশু ৯ জন। এর মধ্যে ৭ জন কুড়িগ্রাম ও ১০ জন লালমনিরহাট জেলার বাসিন্দা বলে জানা যায়। 

জৈন্তাপুরের অপর সীমান্তবর্তী মিনাটিলা বিওপিতে ৪টি পরিবারের মোট ২৩ জনকে আটক করেছে বিজিবি। আটককৃতদের মধ্যে পুরুষ ৯ জন, নারী ৭ জন ও শিশু ৭ জন রয়েছে। তাদের সকলের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলায়।

সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী ছাতক উপজেলার নোয়াকোট বিওপিতে ৪টি পরিবারের মোট ১৭ জনকে আটক করেছে বিজিবি। তাদের মধ্যে পুরুষ ৫ জন, নারী ৪ জন ও শিশু ৮ জন। তাদের সকলের বাড়ি লালমনিরহাট জেলায়।

এ বিষয়ে বিজিবির সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে আটককৃতরা অতীতে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। বিএসএফ তাদের রাতের আঁধারে পুশইন করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। বর্তমানে আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জৈন্তা বার্তা/আরআর