ছবি: নিজস্ব
ফুলের নাম চম্পাফুল। রং ভেদে লাল,গোলাপী,হলুদ, সাদা বর্ণের হয়ে থাকে। কোন বুনো বা জংলী অবস্হায় সচরাচর এদের দেখা মেলে না। সৌখিন মানুষেরা নিজেদের বাগান কিংবা বাড়ীর আঙিনায় এই ফুলের গাছ লাগিয়ে থাকেন। পাতা গুলো একটা থেকে অপরটা আলাদা ও কিছুটা মোটা প্রকৃতির। ফুলগুলো পূর্ণাঙ্গ ভাবে ফুটে গেলে গাছের উপরি ভাগ ফুলের রং এ রাঙিয়ে যায়। যেন সবুজ এক টুকরো মাথার উপর রঙ্গিন মুকুট।
চম্পা ফুল বা ফ্রাংগিপানি। বৈজ্ঞানিক নাম Plumeria। ফুলগুলো সাধারণত গন্ধযুক্ত ও বিভিন্ন রংয়ে ফোটে। যেমন সাদা,হলুদ,গোলাপি, লাল। বাগান সাজসজ্জার জন্য এটি অন্যতম ভূমিকা রাখতে সক্ষম।
বর্তমান বৈশাখ মাসে চম্পা গাছে ফুল ফোটার মৌসুম। এ রকমই একটি চম্পা ফুলের গাছ ফুল ফুটন্ত অবস্থায় আগত পর্যটক ও দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়েছে।
পর্যটন বান্ধব উপজেলা সিলেটের জৈন্তাপুরে সীমান্তঘেষা পল্লী মোকামবাড়ী আলুবাগান এলাকায় অবস্হিত জৈন্তাহিল রিসোর্টের প্রবেশমুখে পৌঁছা মাত্র প্রকৃতির গোলাপী মুকুট পরিহিত চম্পা ফুলের গাছ সবাইকে স্বাগত জানাবে।
হিল রিসোর্টের একমাত্র রেষ্টুরেন্ট এর সামনে মিনি পার্কের আদলে বসার স্হানে গেলেই বার বার নজরে পড়বে ফুটে থাকা চম্পাফুলে সৌন্দর্য। হিল রিসোর্টের উত্তর প্রান্তে মেঘালয় রাজ্যের পাহাড় ও দুইটি আকর্ষণীয় জলপ্রপাত রয়েছে।
সাধারণত পর্যটন মৌসুম ও বর্ষাকালে পাহাড়কে পিছনে রেখে সবাই স্হির চিত্র ও ভিডিও চিত্র ধারণ করে থাকে। বর্তমান সময়ে রিসোর্টে আগত অতিথি ছাড়াও প্রতিদিন বিকেলে আসা দর্শনার্থীরা ফুটে থাকা চম্পা ফুলের গাছের সামনে দাড়িয়ে একটি ছবি তুলে নিতে ভুল করেন না।
এ বিষয়ে জৈন্তাহিল রিসোর্টের পরিচালক মানিক আহমেদ বলেন, রিসোর্টের প্রবেশমুখে কিছু নান্দনিক ফুলের গাছ রয়েছে। সেই সাথে আছে বেশ কয়েক প্রজাতির পাতা বাহার। চম্পা ফুলের গাছটি তুলনামূলক কিছুটা উঁচু হওয়ার কারণে কেউ চাইলেও ফুল ছিড়ে নিতে পারে না। তাছাড়া চলতি বছর ঝড়ের পরিমান কম থাকায় ফুলগুলো বাতাসেও ঝড়ে পড়ে নি। তিনি আরো বলেন পুরো রিসোর্টে ছোটবড় যে গাছগুলো রয়েছে সেগুলো রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ নিয়মিয় পরিচর্যা করে থাকে। অদূর ভবিষ্যতে রিসোর্টের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বাহারী প্রজাতীর কিছু সৌন্দর্য বর্ধক গাছ রোপন করার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
জৈন্তাবার্তা / সুলতানা




