ছবি: নিজস্ব
জৈন্তাপুরে মঙ্গলবার সকাল থেকে অবিরাম বর্ষণের ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। সকাল থেকে একটানা বৃষ্টির ফলে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন হতে আগত ক্রাশার মিল শ্রমিকেরা পড়েছেন বিপাকে।
এদিকে পাথরের জন্য ব্যাস্ততম উপজেলা হিসেবে খ্যাত জৈন্তাপুরে তামাবিল মহাসড়কে কয়েকদিন যাবত ধূলোয় আচ্ছাদিত অবস্থা থেকে মিলেছে মুক্তি। বিশেষ করে মহাসড়কে যানবাহন চলাচলের সময় বাতাসে রাস্তার সন্নিকটে ধূলোবালির কারণে স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী সহ সাধারণ মানুষদের অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। ভারী বর্ষণের ফলে এই দুর্ভোগ থেকে মিলেছে মুক্তি।
অপরদিকে প্রতিদিনের মত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পাশ্ববর্তী উপজেলা হতে আসা ক্রাশার মিল শ্রমিকেরা কর্মহীন ভাবে সময় অতিবাহিত করতে দেখা গেছে। প্রতিদিন জৈন্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ছাড়াও পাশ্ববর্তী উপজেলা কানাইঘাটের বড়চতুল ও গোয়াইনঘাটের আলিরগাঁও ইউনিয়ন হতে সহস্রাধিক ক্রাশারমিল শ্রমিক বিভিন্ন স্টোন ক্রাশার কাজ করতে আসে। সকাল বৃষ্টি না থাকায় কাজে এসে ভারী বর্ষণের ফলে মিল বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন মালিকপক্ষ। তাই সকল শ্রমিক বসে বসে সময় অতিবাহিত করতে দেখা যায়।
এদিকে আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয় আগামী ২৪ ঘন্টায় সিলেট বিভাগে ৬০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা জানান, ভারী বৃষ্টির ফলে সম্ভাব্য পাহাড়ী ঢলে উপজেলার নিম্মঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যার কারণে ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চলতি ইরিবোরো মৌসুমে ধান দ্রুত সময়ের মধ্যে কেটে ফেলার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এ জন্য জৈন্তাপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সার্বিকভাবে বিষয়টি মনিটরিং করছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
জৈন্তাবার্তা / সুলতানা




