গোয়াইনঘাটে কালবৈশাখী ঝ*ড়ে বি ধ স্ত গাছপালা
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৯:৫৯ PM

শঙ্কিত কৃষকরা

গোয়াইনঘাটে কালবৈশাখী ঝ*ড়ে বি ধ স্ত গাছপালা

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা, স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ২৩/০৪/২০২৫ ০৪:৫৭:৪৪ AM

গোয়াইনঘাটে কালবৈশাখী ঝ*ড়ে বি ধ স্ত গাছপালা

ছবি: নিজস্ব


কালবৈশাখী ঝড়ে গোয়াইনঘাট উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সালুটিকর গোয়াইনঘাট সড়কে ঝড়ে গাছপালা, ঘরবাড়িসহ বোরো ফসলের ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হেলে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি৷ কোনো কোনো জায়গায় বিদ্যুৎ এর লাইনে গাছ পড়ে লাইন একত্রিত করে রেখেছে এবং বৈদ্যুতিক তার ছিড়ে সংযোগ ও বিচ্ছিন্ন হয়েছে।  এতে সকাল থেকে এই এলাকায় বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ৷

বুধবার (২৩ এপ্রিল) ভোর ৭টায় প্রায় আধাঘন্টা পরিমাণ উপজেলার সালুটিকর এলাকায়  কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে উপজেলার ৭ নং নন্দিরগাঁও ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে৷ এতে দুর্ভোগে পড়েছেন এসব এলাকার জনসাধারণ। সালুটিকর এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ এর কর্মরত লোকেরা লাইন মেরামতের জন্য কাজ করতে দেখা গেছে।

সরেজমিনে ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৭ নং নন্দিরগাঁও ইউনিয়নের নওয়াগাঁও এলাকায়  কালবৈশাখী ঝড়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ নওয়াগাঁও প্রত্যাশা কিন্ডারগার্টেনের বারান্দার টিনের চাল নিয়ে গেছে। 

সালুটিকর সড়কে গাছ পড়ে বন্ধ ছিল যান চলাচল। বিধ্বস্ত হয়েছে অসংখ্য বড় বড় গাছ। বেশকিছু বিদ্যুতের খুঁটি হেলে পড়ে গেছে৷

কমবেশি বেশকিছু ঘর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বিভিন্ন ঘরবাড়ির চাল উড়ে গেছে, রাস্তায় গাছ পড়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে৷ এদিকে মাঠে থাকা বোরো ধান নিয়ে শঙ্কিত কৃষকরা।বৈরী আবহাওয়ার কারণে বোরো ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা। এছাড়া কাটা ধান মাড়াই ঝাড়াই ও শুকানো নিয়ে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হবে বলে জানান। অপরদিকে সকালের বৃষ্টিতে জাফলং পিয়াইন নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।

জাফলং জোনের ইউনিট ইনচার্জ শাহাদাত হোসেন বলেন,পানি বৃদ্ধি পাওয়া যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়।ব্যবসায়ি সমিতির সাথে কথা বলে রাস্তা পরিষ্কারের ব্যবস্থা করেছি এবং কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর দোকানে পানি লাগায়, তারা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কৃষি অফিসার রায়হান পারভেজ রনি বলেন,বৃষ্টি হলে পানির বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তাই আমরা কৃষকদের হাওরের ধান কাটায় তাগাদা দিচ্ছি।তা না হলে উপজেলার হাওরের বোরোধানের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। সালুটিকর পল্লী বিদ্যুৎ শাখার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় কয়েকবার ফোন দিয়েও কোন প্রকার তথ্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার