সিলেট সী মা ন্তে গ্রামবাসীর বাধায় পিছু হটলো বি এস এফ!
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৮:০৯ AM

খেলার মাঠ দখলের অপচেষ্টা

সিলেট সী মা ন্তে গ্রামবাসীর বাধায় পিছু হটলো বি এস এফ!

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা, স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ০৮/০৫/২০২৫ ০৬:০৮:০৬ AM

সিলেট সী মা ন্তে গ্রামবাসীর বাধায় পিছু হটলো বি এস এফ!

ছবি: নিজস্ব


সিলেটের গোয়াইনঘাট জাফলংস্থ নলজুরি আমস্বপ্ন গ্রামের ১২৭৭-৭৮ নং এরিয়া'র বাংলাদেশের সীমানা পিলারের সংলগ্ন একটি ফুটবল খেলার মাঠ দখলের জন্য বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় একদল ভারতীয় দখলবাজ বিএসএফ বাংলাদেশ অভ্যন্তের প্রবেশ করে।

এসময় বাংলাদেশ বর্ডারগার্ড সদস্যরা তাৎক্ষণিক উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে বিএসএফ সদস্যদের বাধা দিলে উভয় দেশের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় বিএসএফ ও বাংলাদেশের বিজিবি সদস্যদের মধ্যে এমন দৃশ্য দেখে স্থানীয় আমস্বপ্ন এলাকার সর্বস্থরের মানুষ ঝাপিয়ে পড়ে এবং দেশের এক ইঞ্চি মাটি কাউকে দেবেনা শ্লোগানে একত্রিত হয়ে বিজিবি এবং এলাকাবাসীর তোপের মুখে ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার ( ৮মে  ) সকালে একদল ভারতীয় বিএসএফ জোরপূর্বকভাবে বাংলাদের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে জাফলংয়ের আমস্বপ্ন গ্রামের পাশে থাকা একটি ফুটবল খেলার মাঠ দখলের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী (বিজিবি) সদস্যদের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। পরে বাংলাদেশের নাগরিকরা বলেন, এই ফুটবল খেলার মাঠ আমাদের, দীর্ঘদিন ধরে আমরা বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা করে আসছি। হাসিনা তো তোমাদের, এজন্য তুমরা তোমাদের দেশে তাহাকে নি গেছো! তখন ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা বলেন"আগ হ্যা টাইম হাসিনা তা, আবি হাসিনা নেহি, আবি মে হাসিনা আপকা ঘর লে-লিয়া হাগ টাইম হাসিনা বেটিগা ইন্ডিয়া ( যখন হাসিনা ছিলো, তখনও খেলেছি এখনও খেলবো, তুমাদের হাসিনা তোমাদের ঘরে চলে গেছে। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা দেখে আমরা তাৎক্ষণিক এলাকাবাসি একত্রিত হয়ে দাদার দেশ ভারতে তাদেরকে তাড়িয়ে দিয়েছি। লক্ষ মায়ের বুক খালি করে একনদী রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন দেশের একমুঠো মাটি কাউকে দখল করতে দেবোনা। দেশ রক্ষার বিনিময়ে আবারও ঝাপিয়ে পড়তে দ্বিধা করবো না ইনশাআল্লাহ। দখলবাজ বিএসএফ'র সকল পায়তারা ধূলিশাৎ করতে সক্ষম হয়েছি।

এ ব্যাপারে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজমুল হক বলেন, ২০১৫ সালে চিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে আমরা বেশ কিছু জায়গা পেয়েছি। প্রকৃতপক্ষে ঐ খেলার মাটটি তাদের। আমরা তো দেশের বিভিন্ন সীমান্তে অনেক জায়গা পেয়েছি। নিয়মিত জয়েন্ট জরিপেও দেখা গেছে ঐ খেলার মাটটি তাদের। কিন্তু গ্রামের সাধারণ মানুষ দেশের ভেতরের জায়গা নিজেদের মনে করে উত্তেজনা করে। বর্তমানে ঐ খেলার মাটটি অপদখলীয় হিসেবে রয়েছে।

জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার



শীর্ষ সংবাদ: