ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য ও দর্শনের প্রভাব আধুনিক ভারতের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক বাংলাদেশেও বিদ্যমান। আমাদের অনেকের সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার প্রথম পাঠ বেশিরভাগ সময়ই শুরু হয় রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি দিয়ে। আধুনিক বাংলা সাহিত্য যাঁর ওপর ভিত্তি করে বিকাশ লাভ করেছে তিনি হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর মূল পরিচয় কবি হলেও আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রায় সব শাখাতেই তিনি অবাধে বিচরণ করেছেন। বাংলা কবিতা, বাংলা নাটক, বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্য, বাংলা পত্রসাহিত্য, বাংলা ভ্রমণসাহিত্য, বাংলা গান প্রভৃতিতে তিনি উল্লেখযােগ্য অবদান রেখেছেন। বাংলা ছোটগল্পের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ রবীন্দ্রনাথের হাতেই ঘটেছিল। এমনকি উপন্যাসেও তাঁর অবদান ব্যাপক।
ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের ১২৩০তম নিয়মিত সাপ্তাহিক সাহিত্য আসরে আলোচনাকালে আলোচকগণ উপরোক্ত কথা বলেন।
গতকাল (৮ মে ২০২৫) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর দরগাহ গেইটস্থ কেমুসাসের সাহিত্য আসর কক্ষে সংসদের সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক প্রভাষক-ছড়াকার কামরুল আলমের সভাপতিত্বে ও ছাড়াকার আব্দুস সামাদের সঞ্চালনায় আসরে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি মাহফুজ জোহা, আমাদের ডাক সম্পাদক কবি আলিম উদ্দিন আলম, কবি ও বাচিকশিল্পী নাঈমুল ইসলাম গুলজার।
সাহিত্য আসরের শুরুতে মহাগ্রন্থ আল কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মুহাম্মদ হুসাইন হামিদ। এরপর স্বরচিত লেখাপাঠ ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি রাজা রকিব, ওমর ফরুক, কামাল আহমদ, সাজিদুর রহমান, মোহাম্মদ আল ওয়ালিদ, তারেক রহমান, সালমা আলী, মো. সোয়েব আহমদ, মো. দিদার আহমদ প্রমুখ। গান পরিবেশন করেন কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল। সেরা লেখক মনোনীত হন মুহাম্মদ হুসাইন হামিদ।
কেমুসাসের ১২৩০তম সাহিত্য আসর




