ছবি : সংগৃহীত
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) থেকে শুরু যাচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ বছর সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬৯ হাজার ৯৩১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এরমধ্যে ২৮ হাজার ১৫ জন ছেলে এবং ৪১ হাজার ৯১৬জন মেয়ে শিক্ষার্থী রয়েছেন। গত বছরের তুলনায় এ বছর সিলেটে পরীক্ষার্থী কমেছে ১৩ হাজার ২৩৪। গত বছর সিলেটে পরীক্ষার্থী ছিল ৮৩ হাজার ১৬৫ জন।
বুধবার (২৫ জুন) সিলেট শিক্ষা বোর্ড সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষা বোর্ডের তথ্যমতে, ৬৯ হাজার ৯৩১জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৮ হাজার ১৫ জন ছেলে এবং ৪১ হাজার ৯১৬ জন মেয়ে শিক্ষার্থী রয়েছেন। এরমধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১২ হাজার ৯৮০জন, মানবিক বিভাগ থেকে ৪৭ হাজার ৭২৩জন ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৯ হাজার ২২৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। সিলেট শিক্ষাবোর্ড জানায়, এবছর বোর্ডের অধীনে ৩২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬৯ হাজার ৯৩১জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। ৮৮টি কেন্দ্রে এবারের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়াও জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এবছর সিলেট জেলায় পরীক্ষার্থী রয়েছেন ৩১ হাজার ১৬১ জন। তারমধ্যে ১৩ হাজার ২৫১ ছেলে ও ১৭ হাজার ৯১০ জন মেয়ে। সুনামগঞ্জ জেলায় ১২ হাজার ৭২৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছেলে ৪ হাজার ৯০৩ জন ও মেয়ে ৭ হাজার ৩৭৯ জন।
এছাড়াও মৌলভীবাজার জেলায় পরীক্ষার্থী ১৪ হাজার ২০৯ জন। তারমধ্যে ৫ হাজার ৩২৭ ছেলে ও ৮ হাজার ৮৮২ মেয়ে। হবিগঞ্জ জেলায় ১১ হাজার ৮৩৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছেলে ৪ হাজার ৫৩৪ ও মেয়ে ৭ হাজার ২৯৯ জন।
পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা নকলমুক্ত সুশৃঙ্খল পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সকল ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। আশা করি কোন ধরণের সমস্যা ছাড়ায় পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে সকল ধরণের তথ্য দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রসম্পর্কিত সকল নির্দেশনাও কেন্দ্রগুলোতে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সকল নির্দেশনা আমরা আমাদের ওয়েব সাইটে দিয়েছি। সার্বিক সহায়তায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা থাকবেন।
শিক্ষার্থী কমার বিষয়ে অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ছেলেদের মধ্যে অনেকেই কোনোরকম এসএসসি পাশ করে দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। অনেকে পারিবারিক দিক বিবেচনায় কর্মজীবিদের তালিকায় চলে যাচ্ছে। কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে এমন কোন ইস্যু নেই। মেয়েরা নিয়মিতই পড়াশোনা করছে। তাছাড়া দেশের নারী ও পুরুষের আনুপাতিক হারে নারীর সংখ্যা বেশি।
জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার




