সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার রাংপানি ক্যাপ্টেন রশিদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইসলাম ধর্ম বিষয়ের শিক্ষক মরহুম মোস্তফা কামাল স্মরণে স্মরণসভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) বেলা ১১টায় রাংপানি ক্যাপ্টেন রশিদ স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্যোগ ও অংশগ্রহণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিয়াম ডা. কুদরত উল্লাহ স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবু সুফিয়ান বিলাল। মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা ওয়াহিদুল হক সুনামগঞ্জী।
এ সময় স্থানীয় মসজিদ-মাদরাসার ইমাম, খতিব, শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম, জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, রাংপানি ক্যাপ্টেন রশিদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অলিউর রহমান সরকার, ব্যবসায়ী ও অভিভাবক সৈয়দ আব্দুন নূর, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শরিফ উদ্দিন লিটু, সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহমেদ, শ্রীপুর পাথর কোয়ারী ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুল আহাদ, ছিন্নমূল মিনি স্টোন ক্রাশার মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমেদ, সাবেক শিক্ষানুরাগী শফিকুল ইসলাম, জৈন্তাপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা, লোকমান হোসেন সরকার, রাংপানি স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক ক্ষিতিশ চন্দ্র সরকার, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আলম, তৈয়ব আলী কারিগরি কলেজের শিক্ষক ইঞ্জিনিয়ার মনির উদ্দিনসহ অন্যান্যরা।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী ইলিয়াস সারকিস হেলাল। এ সময় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন পারভেজ, অ্যাডভোকেট মোবারক হোসেন, আক্তার হোসেন আকাশ, দিলদার আহমেদ, মাসুদুল ইসলাম শাহেদ, সোহেল আহমেদ, আব্দুস সাত্তার, সাইদুর রহমান, এরশাদ হাসান, কামরুল ইসলাম, মামুনুল ইসলামসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, মরহুম মোস্তফা কামাল শুধু একজন শিক্ষকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন আদর্শ অভিভাবক, নৈতিকতার পথপ্রদর্শক এবং অসংখ্য শিক্ষার্থীর প্রেরণার উৎস। তিনি দীর্ঘ ৩৩ বছর সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে শিক্ষকতা করে বহু শিক্ষার্থীকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। তাঁর শাসনের মধ্যে যেমন কঠোরতা ছিল, তেমনি ছিল শিক্ষার্থীদের প্রতি গভীর মমত্ববোধ। তাঁর আদর্শ, ধর্মীয় অনুশাসন এবং মানবিক গুণাবলি শিক্ষার্থীদের মাঝে আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
এ সময় মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন তাঁর বড় ছেলে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। তিনি তাঁর পিতার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
শেষে মরহুম শিক্ষক মোস্তফা কামালের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
জৈন্তাবার্তা / আরআর




