ছবি: নিজস্ব
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট মহানগর সভাপতি ডা. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ বলছেন, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম থানা ঘেরাও করে লুটপাট চালিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে আহত করে দলীয় নেতা কর্মীদের ছিনিয়ে নেয়া এবং তজুমুদ্দিনে গণধর্ষণ ও দেশব্যাপী চাঁদাবাজি খুন ধর্ষণের বিচার ও মৌলিক সংস্থার না হওয়া পর্যন্ত দেশের মধ্যে কোন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন নয়।
শুক্রবার (৪ জুলাই) বেলা ৩টায় আইএবি সিলেট মহানগর মিলনায়তনে নিয়মিত মাসিক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে ডা. রিয়াজ উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের পটিয়ায় বৈষম্যবিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশে দফায় দফায় হামলা করে ২৫ জন শিক্ষার্থী আহত করেছে। দেশের মধ্যে যে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি হচ্ছে যার বাস্তব প্রমাণ দেখা যাচ্ছে। জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নে কিছু রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও চরিত্র বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। জুলাই ঘোষণা এখনো দেয়া হয় নাই। রাষ্ট্রসংস্কারের মৌলিক জায়গায় একমত হওয়া যায় নাই। বিচার নিশ্চিত হওয়া যায় নাই। কিছু রাজনৈতিক দলের মধ্যে ক্ষমতা কেন্দ্রিকতা তোর কথায় উঠছে প্রকট হয়ে উঠছে। চাঁদাবাজি দখলদারি এখনো চলমান অথচ নির্বাচন নির্বাচন করে সংস্কার ও বিচারের দাবিকে আড়াল করে দেওয়া হচ্ছে। কি করছে রাষ্ট্র কবে মিলবে বিচার। শহীদ ও গুমের শিকার পরিবারের আর্তনাদ দেখার কেউ নেই। এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। তাই সংস্কার বিচার ও পিআর ছাড়া কোন নির্বাচন সম্ভব নয়।
সিলেট মহানগর জয়েন্ট সেক্রেটারি প্রফেসর বোরহান উদ্দিনের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সহ-সভাপতি হাফিজ মাওলানা আব্দুস শহীদ, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা বদরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা মতিউর রহমান খান, প্রচার ও দাওয়া বিষয়ক সম্পাদ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম রনি, দপ্তর সম্পাদক মোঃ জাবেদ আহমদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মকবুল হোসেন, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এস এম সামসুল ইসলাম চৌধুরী এলএলবি, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, সহ-প্রচার ও দাওয়া বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ অলিউর রহমান সাদিক, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম মহানগরের নেতৃবৃন্দ।
জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার




