ছবি: নিজস্ব
টানা ছয় ম্যাচে হার। একটি জয়ের জন্য মরিয়া ছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। অবশেষে সেই জয় ধরা দিল সিলেটের মাঠে। তাও রেকর্ড গড়ে। রোববার (১২ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুর্বার রাজশাহীকে ১৫০ রানে হারিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস। দুর্দান্ত এই ম্যাচে চার, ছক্কা, সেঞ্চুরি, রেকর্ড- এই ছিল ঢাকা ক্যাপিটালস ইনিংসের গল্প। লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিম মিলে দুর্বার রাজশাহীর বোলারদের তুলোধোনা করেন, দুজনেই তুলে নেন সেঞ্চুরি। এদিন আগে ব্যাট করে রাজশাহীকে ২৫৪ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য দেয় ঢাকা। জবাবে সব উইকেট হারিয়ে ১০৪ রানে গুটিয়ে যায় দুর্বার রাজশাহী।
রেকর্ড রান তাড়ায় নেমে দিশেহারা ছিলেন রাজশাহীর ব্যাটাররা। ৩৪ রানে পাঁচ উইকেট হারায় তারা। তখন অবধি খেলা হয়েছে ৬ ওভার তিন বল। এরপর ইয়াসির আলি ১৩ বলে ১৭ রান করেন। কিন্তু তিনিও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ রান আসে রায়ান বার্লের ব্যাটে। ৩২ বলে ৪৭ রান করেন তিনি।
ঢাকার হয়ে দুই উইকেট করে নেন আবু জায়েদ রাহী, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, মোসাদ্দেক হোসেন ও ফারমানুল্লাহ। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ঢাকার দুই ওপেনার লিটন দাস এবং তানজিদ তামিমের জোড়া সেঞ্চুরি করেন। রাজশাহীকে ২৫৪ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য এনে দেন তারা।বিপিএল ইতিহাসে যা সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।
এদিন দূর্বার রাজশাহীর বোলারদের বেদড়ক পেটান লিটন এবং তানজিদ তামিম। ২৪ বলে ফিফটি করার পর ৪৪ বলে সেঞ্চুরি করেন লিটন। ৮টি বাউন্ডারি এবং ৭টি ছক্কায় অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটার। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটা তার প্রথম সেঞ্চুরি।
অন্যদিকে ৬৪ বল খেলে ১০৮ রান করেন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। আউট হওয়ার আগে ৬টি বাউন্ডারি এবং ৮টি ছক্কা হাঁকান তিনি। ২ বল খেলে এক ছক্কায় ৭ রানে অপরাজিত থাকেন সাব্বির রহমান।
বিপিএলের ইতিহাসে ওপেনিংই নয়, যে কোনো উইকেট জুটিতে এটা সর্বোচ্চ রানের জুটি। বিপিএলের ইতিহাসে এটাই সর্বোচ্চ রানের সংগ্রহের রেকর্ড। দুর্বার রাজশাহীর হয়ে একটি উইকেট নেন সোহাগ গাজী।
জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার




