ছবি:সংগৃহীত
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জেরে আওয়াল নুর ও সাইদুর রহমান গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পায়েল মিয়া নামে এক যুবক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। এছাড়া তাহেরা বেগম (৪৫) নামের এক নারী গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত আরও ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে মঙ্গলবার প্রকাশ্যে ঘোষণা দেওয়ার পর বুধবার সকালে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। গত বছরও একই দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি মামলাও হয়েছিল।
সংঘর্ষে সাইদুর রহমান গ্রুপের সদস্য পায়েল মিয়া নিহত হন। গুরুতর আহত তাহেরা বেগমকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সাইদুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, জমিতে গরুর খাবার নেওয়াকে কেন্দ্র করে আওয়াল নুর গ্রুপের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল। এর জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় তাদের দুইজন নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়াল নুর বলেন, সাইদুর গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নদীর পাড়ে মহড়া দিচ্ছিল। তারা কোনো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে যায়নি। বরং প্রতিপক্ষ নিজেরাই ঘটনা ঘটিয়ে তাদের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন তিনি।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকিবুজ্জামান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




