ছবি সংগৃহীত
সিলেট নগরের মাছিমপুর এলাকায় পশুর হাট বসানো নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জানা যায়, সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের সমর্থকদের মধ্যেসংঘর্ষে ঘটে, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনও কাউকে আটক করা হয়নি।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহম্মদ আলী মাহমুদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে মাছিমপুর এলাকায় পশুর হাট বসানো নিয়ে সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাছিমপুর এলাকার পশুর হাট বসানোর জন্য প্রতি বছর দরপত্র আহ্বান করে নির্ধারিত স্থান ইজারা দেয় জেলা পরিষদ। তবে এবার দরপত্রের আগেই সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলর শারমিন আক্তারের স্বামী মনজু মিয়া ও তাঁর দুই ভাই মিলে হাটের জায়গায় খুঁটি পুঁতা শুরু করেন। এতে ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোস্তাক আহমদের ভাই হারুনুর রশিদ খছরু বাধা প্রদান করলে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহম্মদ আলী মাহমুদ জানান, পশুর হাট বসানোকে কেন্দ্র করে শুক্রবার দুই কাউন্সিলরের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পরবর্তীতে কাউন্সিলর মোস্তাক আহমদের ভাই হারুনুর রশিদ খছরু থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে সেটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করা হয়নি।
জৈন্তাবার্তা/এমকে




