বিয়ানীবাজারের স্বাস্থ্য কর্মীর উপর হামলা, হামলাকারী যুবতীর রহস্যজনক মৃত্যু!
সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নে খশির কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। ২৬ জুন সোমবার পরকীয়া প্রেমের জের ধরে প্রেমিকা ওই স্বাস্থ্যকর্মী প্রেমিক গোপাল চন্দ্র দাস (৩৭) কে ধারালো দা দিয়ে কুপানোর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর যুবতী নিজে আত্মহত্যা করেন।
আত্নহত্যাকারী বিয়ানীবাজারের বৈরাগীবাজারের মনির আলীর মেয়ে খায়রুননেছা মরি (৪০)।
স্থানীয়রা জানান, সকাল আনুমানিক সাড়ে ১১ টার সময় হঠাৎ চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এসে দেখেন কমিউনিটি ক্লিনিকের বারান্দায় রক্ত আর দৌড়ে বের হয়ে আসছেন গোপাল চন্দ্র দাস। তাকে আহত দেখে তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তাঁর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করেন চিকিৎসক। অন্যদিকে হামলার পর হামলাকারী সেই নারী ক্লিনিকের ভিতরে একটি রুমের দরজা লাগিয়ে দেন স্থানীয়রা। পরে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে এসে পৌছান বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ। পরে দুপুর ১.৩০ ঘটিকার সময় ক্লিনিকের একটি রুমের দরজা ভেঙ্গে সেই প্রেমিকার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা শ্যামল বণিক।
তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনার তাতৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে যায় এবং দরজা ভেঙ্গে মরিয়ম বেগমের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, অফিসকক্ষে থাকা অবস্থায় খায়রুননেছা মরি অফিসকক্ষের পর্দা দিয়া অফিসকক্ষের ছাদের সাথে সংযুক্ত লোহার গ্রিলের সাথে গলায় ফাঁস দিয়া আত্মহত্যা করেন।
জৈন্তাবার্তা/এমকে




