ছবি: সংগৃহীত
যেহেতু সাকিব আল হাসান দলে ফিরছেন, তাই কাউকে না কাউকে জায়গা ছাড়তেই হবে। তার মানে আগামীকাল শনিবার থেকে শুরু চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশ একাদশে পরিবর্তন নিশ্চিত। এখন প্রশ্ন হলো, এই টেস্টে সাকিবের অন্তর্ভুক্তিতে কপাল পুড়বে কার? কাকে বাদ দেওয়া হবে? দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় কিংবা জাকির হাসানের কেউ? নাকি মিডল অর্ডার শাহাদত হোসেন দিপু?
বলার অপেক্ষা রাখে না, যে তিনজনের কথা বলা হলো তারা কেউই সিলেটে প্রথম টেস্টে সুবিধা করতে পারেননি। জয় প্রথম ইনিংসে ১২ রান করলেও পরের ইনিংসে রানের খাতাই খুলতে পারেননি। ফিরে গেছেন ০ রানে। জাকির হাসানের সংগ্রহ ছিল ৯ আর ১৯। আর শাহাদাত হোসেন দিপু করেছেন ১৮ আর ০।
কাজেই তাদের কারো বাদ পড়া অস্বাভাবিক নয়। তবে যতদূর জানা গেছে, টিম বাংলাদেশ একাদশে পরিবর্তন আসবে অন্য জায়গায়। সাকিব দলে যুক্ত হওয়ার অর্থ, তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী মিরাজের সঙ্গে একজন স্পিনার বেড়ে যাওয়া। সেক্ষেত্রে একজন বোলারকে জায়গা ছাড়তে হবে।
ভেতরের খবর, জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে তুলনামূলক ব্যাটিং সহায় উইকেটের কথা মাথায় রেখে একজন পেসার কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। সিলেটে খেলা তিন পেসার শরিফুল ইসলাম, খালেদ আহমেদ ও নাহিদ রানার কাউকে বাইরে রাখার চিন্তা চলছে।
যেহেতু নাহিদ রানার বয়স কম। প্রচণ্ড গরমে তাকে পর পর ২ টেস্ট খেলানোর চেয়ে বিশ্রাম দিয়ে আগামীতে খেলানো যুক্তিযুক্ত। তাই ৩ পেসার ফর্মুলা থেকে সরে ২ পেসার নিয়ে দল সাজানোর কথাই নাকি বেশি করে ভাবা হচ্ছে।
জানা গেছে, নাহিদ রানাকে বাইরে নিয়ে সাকিব, তাইজুল, মিরাজ-তিন স্পিনারের সঙ্গে দুই পেসার শরিফুল ইসলাম ও খালেদ আহমেদকে খেলানোর চিন্তা প্রায় চূড়ান্ত।
তাহলে ওপেনিং জুটিতে মাহমুদুল হাসান জয় আর জাকির হাসান, ওয়ান ডাউন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, চারে মুমিনুল হক, পাঁচ নম্বরে সাকিব আল হাসান, ছয়ে লিটন দাস, সাত নম্বরে শাহাদাত হোসেন দিপু, আটে মেহেদি হাসান মিরাজ, নয় নম্বর তাইজুল ইসলাম, দশ ও এগার নম্বরে যথাক্রমে পেসার শরিফুল ইসলাম ও খালেদ আহমেদ।
আজ প্র্যাকটিসের পর সংবাদ সম্মেলনে কোচ পোথাস জানিয়ে গেলেন, কাল শনিবার সকালে টেস্ট শুরুর আগে উইকেটের সর্বশেষ অবস্থা দেখে তারা একাদশ চূড়ান্ত করবেন।
তার ভাষ্য, ‘কথা বলে যতটা জেনেছি, গুড ক্রিকেট উইকেটই তৈরি করা হচ্ছে। তবে দিনশেষে আমরা উইকেট নিয়ে ভাবছি না। আমাদের লক্ষ্য ভালো খেলা, উন্নতি করা, ম্যাচ জেতা। কন্ডিশন যেমনই হোক আমাদের মানিয়ে নিতে হবে। আমরা কাল সকালে সিদ্ধান্ত নিব। সকালে উইকেট দেখে বুঝতে পারব কীভাবে দল সাজানো উচিত।’
এম সি




