ছবি: সংগৃহীত
৩৬৫ রানের বিশাল লক্ষ্য। বাংলাদেশের হারটা ছিল প্রায় অবধারিত। অতিমানবীয় কিছু না ঘটলে ইংল্যান্ডই জিতবে এই ম্যাচে- এটা ছিল জানা কথা। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে কতদূর যেতে পারে, সেটাই ছিল সবার দেখার বিষয়। জিততে না পারলেও টাইগার ব্যাটারদের কাছ থেকে ব্যাট হাতে ভালো পারফরম্যান্স আশা করেছিলো সবাই।
কিন্তু লিটন দাস, মুশফিকুর রহিম আর তাওহিদ হৃদয়ছাড়া আর কারো ব্যাটই কথা বলতে পারেনি ইংলিশ বোলিংয়ের বিপক্ষে। যার ফলে ৪৮.২ ওভারে ২২৭ রানে অলআউট হয়ে গেছে বাংলাদেশ এবং ইংল্যান্ডের জয় ১৩৭ রানের বড় ব্যবধানে।
বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জেতার জন্য বাংলাদেশকে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের রান তাড়ার নতুন রেকর্ড গড়তে হতো। কিন্তু রেকর্ড গড়া তো দূর, ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৩৭ রানের বড় ব্যবধানে হারের লজ্জায় ডুবতে হলো বাংলাদেশকে। ফলে আফগানিস্তানকে হারিয়ে ২০২৩ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচেই হোঁচট খেল টাইগাররা।
মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) ধর্মশালার হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৬৪ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে ইংল্যান্ড। জবাবে লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম ছাড়া আর কেউ মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারায় ৪৮.২ ওভারে ২২৭ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হলেও টাইগারদের রানে হারিয়ে দারুণভাবে ফিরে এলো ইংলিশরা।
৩৬৫ রানের বিশাল লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ক্রিস ওকসকে তৃতীয় বল থেকে টানা তিনটি চার মেরে লিটন দাস দারুণ শুরু এনে দেন বাংলাদেশকে। কিন্তু রিচি টপলির করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে জোড়া আঘাতে ছন্দ হারায় বাংলাদেশ। টপলির বলে সেকেন্ড স্লিপে জনি বেয়ারস্টোর ক্যাচ হন তানজিদ হাসান তামিম। ২ বলে মাত্র ১ রান করেন বাংলাদেশি ওপেনার। পরের বলে নাজমুল হোসেন শান্ত ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ দেন লিয়াম লিভিংস্টোনকে।
দলের বিপদে হাল ধরতে ব্যর্থ হন সাকিব আল হাসান। ৯ বলে মাত্র ১ রান করে বোল্ড হয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক টপলির তৃতীয় শিকারে পরিণত হলে ২৬ রানে ৩ উইকেট হারায় টাইগাররা। সাকিবের পর ফিরে যান মেহেদী হাসান মিরাজও। মাত্র ৮ রান করে ক্রিস ওকসের বলে মিরাজ ক্যাচ দেন জস বাটলারকে।
এম সি




