গোয়াইনঘাটে সার সংকটে বিপাকে কৃষকরা
শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০৫:০০ AM

গোয়াইনঘাটে সার সংকটে বিপাকে কৃষকরা

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা, স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ২৫/০৭/২০২৫ ০৫:২০:৪০ PM

গোয়াইনঘাটে সার সংকটে বিপাকে কৃষকরা

ছবি:নিজস্ব


সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় আমন মৌসুমের শুরুতেই সারের সংকট দেখা দিয়েছে এবং এতে কৃষকরা বেশ বিপাকে পড়েছেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে সারের অভাবের খবর পাওয়া যাচ্ছে, বিশেষ করে শীতকালীন সবজি এবং আসন্ন আমন মৌসুমের জন্য সারের চাহিদা থাকায় সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। ডিলারদের কাছে সার না পাওয়ায় কৃষকরা বেশি দামে খোলা বাজার থেকে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তাদের উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে, সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর অভিযোগও উঠেছে। 

তবে উপজেলা কৃষি অফিস বলছে এই সংকট বেশি সময় থাকবে না,আগামী সপ্তাহে সারের সংকট দূর হয়ে যাবে। বর্তমান মাসে সারের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এ বছর বন্যা না হযওয়ায় কৃষকরা আগাম সবজি ও আমন আবাদ করায় সারের সংকট পড়েছে। আগস্ট মাসের ২ থেকে ৩ তারিখের মধ্যে কৃষকরা বাজারে সার পেয়ে যাবেন বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস।

কৃষক হাবিবুর রহমান জানান,উপজেলার কোন বাজারে সার না পাওয়ায় জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর থেকে বাড়তি দামে এক বস্তা সার ক্রয় করেছেন। তার সার লাগে ৭০ থেকে ৮০ কেজি। ডিলাররা তাকে বলেছেন আগামী মাসের ৫ তারিখের পর বাজারে সার আসবে এর আগে খূচরা দোকান থেকেই সার কিনে কৃষকদের চলতে হবে। তাও চাহিদা অনুযায়ী সার পাওয়া যাবে না। 

ডিলারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত মাসে যে পরিমাণ সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল তা মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। যার কারণে বাজারে সার সংকট দেখা দিয়েছে। আগস্ট মাসের বরাদ্দকৃত সার তাদের কাছে না আসা পর্যন্ত এই সংকট থাকবে।

বেশি দামের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন,কেউ যদি বাজার ও ক্রেতা ঠিক রাখতে অন্য জায়গা থেকে বেশি দামে ক্রয় করে থাকে তাহলেতো সে একটু বেশি দামে বিক্রি করতে পারে। বরাদ্দকৃত সার কেউ বেশি দামে বিক্রি করার কথা নয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার রায়হান পারভেজ রনি জানান, গত মাসে পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এ বছর বন্যা না হওয়ায় কৃষকরা আগাম সবজি ও আমন আবাদে মাঠে নেমেছে।তাই অপ্রত্যাশিতভাবে সারের সংকট দেখা দিয়েছে। আগস্ট মাসের জন্য ও পর্যাপ্ত পরিমাণ সারের চাহিদা দেওয়া হয়েছে। বিআইডিসি কর্তৃপক্ষ মাস না পুরলে সার দিতে চাচ্ছে না। আগামী সপ্তাহে সারের সংকট দূর হয়ে যাবে বলে তিনি জানান।

জৈন্তাবার্তা / সুলতানা