ছবি নিজস্ব
মানুষ দেখলেই হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন শরিন্দ। মুখের কথাও অস্পষ্ট। গায়ের জোর কমায় কমেছে মুখের কথার জোর। দীর্ঘ আট মাস ধরে বিছানায় কাতরাচ্ছেন। একটি দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে তার বেঁচে থাকার সুন্দর ও সাবলীল জীবনের চলাফেরা।
চিকিৎসক বলেছেন, এখন তাকে বেঁচে থাকতে হলে একটি পা কেটে ফেলতে হবে। এর জন্য খরচ হবে প্রায় তিন লক্ষ টাকা। একদিকে ভাঙা পায়ের তীব্র যন্ত্রণা, অন্যদিকে পাহাড় সমান টাকা যোগাড়ের দুশ্চিন্তা তাকে এখন তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ অবস্থায় সকলের সহযোগিতায় বাঁচতে চান শয্যাশায়ী শরিন্দ।
শরিন্দ গোয়াইনঘাট উপজেলা নন্দীরগাঁও ইউনিয়নের চৌধুরী কান্দি গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় ৮ মাস আগে ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করা ছেলেকে দেখতে গিয়ে দুর্ঘটনায় তার ডান পা ভেঙে যায়। সেই থেকে শুরু হয় তার বেঁচে থাকার যুদ্ধ। পৈত্রিক সম্পত্তি মাথাগোঁজার ঠাই ভিটা বাদে যা ছিল তা বিক্রি করে এবং এলাকার মানুষের দেওয়া সহযোগিতায় এতদিন চিকিৎসা চালিয়েছেন। বর্তমানে তার পায়ের হাড্ডি বেরিয়ে গেছে এবং পায়ে পচন ধরছে। ডাক্তার বলে দিয়েছেন, বেঁচে থাকতে হলে তার পা কাটতে হবে।
বেঁচে থাকার ইচ্ছা কার না থাকে? আছে শরিন্দেরও। কিন্তু সেই ইচ্ছায় বাধার পাহাড় হয়ে দাঁড়িয়েছে দারিদ্র্যতা। তাই তিনি চাইছেন সকলের সহযোগিতা। তিনি আশাবাদী, দেশ ও প্রবাসের এবং এলাকার বিত্তবানরা তার এই দুঃসময়ে এগিয়ে আসবেন, আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়াবেন। সকলের সহযোগিতায় তিনি নতুন জীবন পাবেন।
শরিন্দকে সহযোগিতা জন্য ০১৭৮১৭৪৩০১৬ (বিকাশ ও নগদ) নম্বরে যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছে তার পরিবার।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




