ছবি:নিজস্ব
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাঁকির মাধ্যমে দীর্ঘদিন থেকে অবৈধভাবে ভারতীয় গরু মহিষ প্রবেশ করছে।
যা নিয়ে স্হানীয় জন সাধারণের মাঝে হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজমান। একদিকে যেমন সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব অন্যদিকে স্থানীয় খামারিরা লোকসানের মুখে পড়ছে। সুবিধাভোগ করছে একটি স্বার্থন্বেষী মহল। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসন জোরালো কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি এমন অভিযোগ উপজেলা সচেতন মহলের। উপজেলার গণমাধ্যম কর্মীরা বারবার বিষয়টি তুলে ধরলেও যারা কর্ণপাত করার কথা তারা দায়ভার ছাড়া মনোভাবে ছিল।
বুধবার ৩০ জুলাই সকালে উপজেলা করনফারেন্স হল রুমে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় বিষয়টি আলোচনায় আসলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আমলে নেন এবং বলেন,সীমান্ত এলাকা পাড়ি দিয়ে কিভাবে এই অবৈধ ভারতীয় গরু মহিষ বাংলাদেশে আসে। সেটা আমার বোধগম্য নয়, এমনতো হওয়ার বিষয় না। সীমান্তেই প্রথম বাধা প্রয়োজন। তিনি বলেন, এখন থেকে যদি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় কোন গরু মহিষ বাংলাদেশ প্রবেশ করে এবং স্হানীয় কোন বাজারে তা বিক্রি করা হয়। তাহলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোরভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী বলেন,ভারতীয় গরু মহিষ কোনোভাবেই বৈধ না। আমি আইন-শৃঙ্খলা সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ফোনে ও সরাসরি বলে দেব অবৈধভাবে প্রবেশ করা ভারতীয় গরু মহিষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। সীমান্তবর্তী স্থানীয় কোন বাজারে ভারতীয় গরু মহিষ উঠলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
জৈন্তাবার্তা / সুলতানা




