ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজার সড়ক: ধূলিকণা আর কাদায় জনদু*র্ভোগ
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০৩:৫০ PM

ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজার সড়ক: ধূলিকণা আর কাদায় জনদু*র্ভোগ

আতাউর রহমান কাওছার, ওসমানীনগর

প্রকাশিত: ১২/০৮/২০২৫ ১২:৩৫:২৪ AM

ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজার সড়ক: ধূলিকণা আর কাদায় জনদু*র্ভোগ

ছবি: নিজস্ব


সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে সিমেন্টের কণা, ধুলিকণা আর কাদায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন ওসমানীনগরের ব্যবসায়িক প্রাণকেন্দ্র গোয়ালাবাজারের মানুষ। মাসের পর মাস এলাকাবাসী স্বাস্থ্যঝুঁকি আর দুর্ভোগের শিকার হয়ে এলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

জানা যায়, সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নিতকরণের কাজ করে যাচ্ছে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো। গোয়ালাবাজার অংশে কাজ করছে তমা কন্সট্রাকশন। কাজ চলাবস্থায় মহাসড়ক রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও রয়েছে ঠিকাদারদের। গোয়ালাবাজার অংশে অসংখ্য খানাখন্দ মেরামতের স্থায়ী কোনো সমাধান না করে কিছুদিন পরপর খোঁড়াখুঁড়ি করে সিমেন্ট মিশিয়ে রোলিং করে দেয়ার ফলে বৃষ্টি হওয়ামাত্র আবার রাস্তায় খানাখন্দ তৈরি হয়। খোঁড়াখুঁড়ি ও সিমেন্ট মিক্স করার কারণে বৃষ্টির দিনে সড়কে কাদা জমে আর বৃষ্টি না হলে বাতাসে ধোঁয়ার মতো উড়তে থাকে সিমেন্ট ও ধূলিকণা। এমন অবস্থায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ব্যবসায়ীসহ বাজারে আগত ক্রেতা সাধারণ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, তারা দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগের শিকার হয়ে এলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না। মহাসড়কের এমন অবস্থার কারণে অনেক ব্যবসায়ী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। প্রতিনিয়ত ধূলিকণা ও সিমেন্টের কণা নাক দিয়ে ঢুকে সর্দি-কাশিতে ভুগছেন অনেকে।

মহাসড়কের পাশের ব্যবসায়ী পুলক দেব বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে ধুলোর কারণে ব্যবসা করতে পারছি না। ধুলোর সাথে রয়েছে সড়কের পাশে রাখা সিমেন্টের মিশ্রণ। এগুলো নাক-মুখ দিয়ে ঢুকে অসুস্থ হয়ে পড়েছি। পথচারী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, বৃষ্টি হলেই কাদা এবং বৃষ্টি না থাকলে ধুলোর রাজ্যে পরিণত হয় গোয়ালাবাজার।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, মহাসড়কের দুই পাশসহ সকল গলির দোকানি ধূলোয় অতিষ্ঠ হয়ে গেছেন। ধুলোয় দোকানের মালামাল নষ্ট হয়ে লোকসান হচ্ছে।

বাসচালক আব্দুল আহাদ বলেন, মহাসড়কের গোয়ালাবাজার অংশে ব্যাপক খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। গাড়ি চলাচলের সময় ধুলোয় অন্ধকার হয়ে যায় সবকিছু। মহাসড়কে কাজের দায়িত্বে থাকা তমা কন্সট্রাকশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উদয়ন

চক্রবর্তী বলেন, আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে এর একটি স্থায়ী সমাধান করে দেয়া হবে।

সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী আমির হোসেন বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা বলবেন বলে জানান।

জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার