গোলাপগঞ্জে কাদাময় রাস্তায় ভো গা ন্তি
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০৯:৩৮ AM

গোলাপগঞ্জে কাদাময় রাস্তায় ভো গা ন্তি

মো. বদরুল আলম, গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৯/০৮/২০২৫ ১১:৫৬:৫৬ PM

গোলাপগঞ্জে কাদাময় রাস্তায় ভো গা ন্তি

ছবি: নিজস্ব


গোলাপগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের অন্তর্গত ৪নং ওয়ার্ডের উত্তর গোয়াসপুর এলাকা পাত্তিউরা, খাইয়াটিকর ও রুইগড়- এই ৩টি গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় আছেন। বছরের পর বছর ধরে কাক্সিক্ষত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত তারা। এর মধ্যে বেশি অবহেলার শিকার পাত্তিউরা গ্রামটি।

সুরমা ডাইকসহ পাত্তিউরা গ্রামের ভেতরে প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা কাঁচা। ২০০৪ সালে বিএনপি জোট সরকারের আমলে তৎকালীন এমপি মরহুম মকবুল হোসেন লেচু মিয়ার করা এলজিইডি’র ৪০০ মিটার রাস্তাটি আজ পর্যন্ত সংস্কার হয়নি। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এবং পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের ব্যক্তিগত আক্রোশে উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ গ্রামবাসীর।

রাস্তাটি দিয়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতী ছাত্র-ছাত্রীরা বর্ষাকালে কাদামাখা রাস্তায় অত্যন্ত কষ্ট করে যাতায়াত করতে হয়। এ ছাড়া এই রাস্তা দিয়ে গ্রামের ও নদীর অপর পাড়ের শত শত মানুষ চলাফেরা করেন। বর্ষাকাল এলে সুরমা ডাইকসহ গ্রামের রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। রাস্তায় কাদাসহ বড় বড় গর্তের কারণে পায়ে হেঁটে কিংবা যানবাহনে নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে।

বিগত ১০ বছর যাবত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ইটের টুকরো বা মাটি দিয়ে রাস্তার গর্তগুলো ভরাট করেননি বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। তারা প্রতিবছর নিজস্ব অর্থায়নে ইট কিংবা পাথর এবং মাটি দিয়ে ভরাট করে রাস্তাটি চলাচলের কিছুটা উপযোগী করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলজিইডি ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ এই রাস্তাটি নির্মাণ ও মেরামতে কোনো গুরুত্ব দেয়নি। ইউনিয়ন পরিষদ বলছে, রাস্তাটি এলজিইডি’র আওতায় বলে বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে না। অন্যদিকে এলজিইডি রাস্তাটির দৈর্ঘ্য কম হওয়ায় নির্মাণে আগ্রহ দেখায় না। গোলাপগঞ্জের ইউএনও বরাবরে অনেকবার লিখিত আবেদন জমা দিলেও রাস্তাটি কোনো গুরুত্ব পায়নি বলে অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসী।

স্থানীয় যুবক খালেদ আহমদ বলেন, প্রতিশ্রæতির শেষ নেই। প্রতিবার নির্বাচন এলে শুধু প্রতিশ্রæতি দেন জনপ্রতিনিধিরা। তারা বলেন, রাস্তাটির কাজ দ্রæত সম্পন্ন হয়ে যাবে। কিন্তু নির্বাচন শেষে জনপ্রতিনিধিরা প্রতিশ্রæতি রক্ষা করেন না, রাস্তাটিও আর নির্মাণ হয় না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আমরা মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। পাতিউরার এই রাস্তা দ্রæত পাকা করা প্রয়োজন। এই রাস্তাটি পাকা হলে মানুষের অনেক দুর্ভোগ লাঘব হবে এবং এলাকার গ্রামীণ জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।

জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার