ন্যায়বিচার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন রায়হানের মা
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০৫:৫৪ AM

ন্যায়বিচার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন রায়হানের মা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪/০৮/২০২৫ ০৪:৪৭:৫৩ PM

ন্যায়বিচার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন রায়হানের মা

ছবি:নিজস্ব


সিলেটের আলোচিত রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় ন্যায়বিচারের দাবিতে জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন নিহত রায়হানের মা। রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে তিনি এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্যকল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান রিপনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এদিকে, মামলার প্রধান আসামি উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়া হাইকোর্ট থেকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন। গত ১০ আগস্ট সন্ধ্যায় তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

এ খবর জানাজানি হওয়ার পর নিহত রায়হানের মা গভীর হতাশা প্রকাশপরিবারের অভিযোগ, মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়ে রায় ঘোষণার প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু প্রধান আসামির জামিনে রায় দ্রুত কার্যকর হওয়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এছাড়া রায়হানের পরিবার আশঙ্কা করছে, আকবর বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন। করেন। তিনি বলেন, ‘এখন সূত্র জানিয়েছে, মামলার আরেক আসামি সহকারী পরিদর্শক (এএসআই) আশেক এলাহিও শিগগিরই জামিন পেতে পারেন। বাকি আসামিদের মধ্যে চারজন পলাতক রয়েছেন-একজন যুক্তরাষ্ট্রে, একজন ফ্রান্সে এবং দুজন মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছেন।এই আসামি দেশ ত্যাগ করতে পারেন। তার জামিনে আমরা হতাশ হয়েছি।’২০২০ সালের ১০ অক্টোবর রাতে সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে নগরীর আখালিয়ার যুবক রায়হান আহমদকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। পরদিন তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় তার স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু অভিযোগে মামলা করেন।ঘটনার পর এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। কনস্টেবল হারুন অর রশিদসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর আকবরকে ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর কানাইঘাট সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর দীর্ঘ তদন্ত শেষে পিবিআই ২০২১ সালের ৫ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। সেখানে প্রধান আসামি করা হয় এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে। অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন এএসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল হারুন অর রশিদ, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস, এসআই হাসান উদ্দিন এবং স্থানীয় সংবাদকর্মী আবদুল্লাহ আল নোমান।

জৈন্তাবার্তা / সুলতানা