ছবি:সংগৃহীত
সিলেট মহানগরের ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় সিলেট-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল মালিক (এম এ মালিক) বলেছেন, ‘উন্নয়ন আর রাজনীতিকে আমি আলাদা করে দেখি না। নেতৃত্ব মানে মানুষের কষ্ট বোঝা। দক্ষিণ সুরমাকে আর অবহেলিত থাকতে দেওয়া যাবে না-এই নিয়েই আমার রাজনীতি।’
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) আয়োজিত সভায় দক্ষিণ সুরমা এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলা, উন্নয়ন বৈষম্য ও রাজনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ সুরমা আজ নানা দিক থেকে অবহেলিত। এই জনপদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে তিনি আজীবন কাজ করে যাবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভায় এম এ মালিক বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে তিনি সমাজসেবা ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত জাতীয় যুব সংস্থার মাধ্যমে সিলেট যুব কমপ্লেক্সে প্রশিক্ষণ গ্রহণের পাশাপাশি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন লিডারশিপ ট্রেনিংয়ে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তিনি কানাডায় আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতার কথাও উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘শহরের আশপাশের এলাকা, বিশেষ করে দক্ষিণ সুরমা আজও অবহেলিত। রাস্তাঘাট, নদীভাঙন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে আমরা পিছিয়ে রয়েছি। অথচ মুক্তিযুদ্ধের সময় এই দক্ষিণ সুরমাই ছিল আন্দোলন-সংগ্রামের অন্যতম কেন্দ্র।’
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এম এ মালিক বলেন, তিনি শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং বিশ্ব গণতন্ত্রের এক অনন্য প্রতীক। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহলে তার অবদান স্বীকৃত। নেত্রীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি দেশের মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
সভায় তিনি আরও জানান, ব্যক্তিগত স্বার্থ ও প্রলোভন ত্যাগ করে কেবল মানুষের পাশে থাকার জন্যই তিনি দেশে ফিরে এসেছেন। দলীয় নেতৃত্ব ও জোটের পক্ষ থেকে দক্ষিণ সুরমা আসনে নির্বাচনের সুযোগ পাওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন হাজী সাজাই মিয়া। এতে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান, কুচাই ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হাজী ইউনুস মিয়া, বিএনপি নেতা নজমুল হোসেনসহ ৪১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক ও বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনগণ।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




