ছবি:সংগৃহীত
আজ সকালে শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বহুল আলোচিত গণভোট। ইতোমধ্যে সারাদেশে ভোটগ্রহণের সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে প্রশাসন যেমন প্রস্তুত, তেমনি জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। ফলে ভোটের আগের দিন থেকেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনমনে কৌতূহল, প্রত্যাশা ও নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে।
বুধবার সকাল থেকেই সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বাক্স ও অন্যান্য নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে এসব সরঞ্জাম বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি মোবাইল টিম ও পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে। এবার ভোটাররা দুটি পৃথক ব্যালটে ভোট প্রদান করবেন। সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য সাদা ব্যালট এবং গণভোটের জন্য গোলাপি ব্যালট। নির্বাচন কমিশন আশা প্রকাশ করেছে, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য ফলাফল আসবে।
বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে সর্বশেষ সর্বদলীয় অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর ভোট হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সেনা সমর্থিত সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সেই নির্বাচনের পর দেশে আরও তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে। ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী অংশ নেয়নি। ২০১৮ সালে ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে অংশগ্রহণ করলেও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে বিতর্ক ও অভিযোগ ছিল বিস্তর।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তন আসে। ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্র্বতী সরকার স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অঙ্গীকার করেছে। তবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দেশের অন্যতম পুরনো রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। যা নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে; নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির বাইরে এবারের নির্বাচন কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উৎসবমুখর হতে পারবে? ভোটারদের উপস্থিতি, রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ এবং সামগ্রিক পরিবেশই নির্ধারণ করবে এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা ও ফলপ্রসূতা।
সবশেষে বলা যায়, একটি নির্বাচন শুধু ভোটগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি গণতান্ত্রিক আস্থার পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে। এখন অপেক্ষা ভোটের দিন এবং জনগণের রায়ের।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে কাঙ্খিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। সিলেট বিভাগের ২ হাজার ৯৩৭টি কেন্দ্রে পৌঁছানো হয়েছে নির্বাচনের সরঞ্জাম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ঢেলে সাজানো হয়েছে। পুলিশের মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্স, র্যাব, বিজিবির টহল টিম, সেনাবাহিনী, ম্যাজিস্ট্রেট ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট বিভাগজুড়ে দায়িত্ব পালন করবেন। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনপ্রয়োকারি সংস্থা কঠোর থাকবে সংস্থাগুলোর প্রধানরা এমন বার্তাই দিয়েছেন। বুধবার বিকেলে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের বুথ ও ভোটকক্ষ পরিদর্শন শেষে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের আশঙ্কা নেই বলে তিনি জানান।
পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলো ইতোমধ্যে পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ১২ জন আনসার মোতায়েন থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ৪ জন এবং সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে ৩ জন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ৬৬টি মোবাইল টিম, ১২টি স্ট্রাইকিং টিম ও ২টি স্ট্যান্ডবাই টিম কাজ করবে। পাশাপাশি জিনিয়া অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিটি কেন্দ্র থেকে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য পাওয়া যাবে। কোনো সমস্যা দেখা দিলে অ্যাপের মাধ্যমে নিকটবর্তী মোবাইল টিম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সক্রিয় হয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবে।
তিনি আরও জানান, মেট্রেপলিটন পুলিশের ছয়টি থানার আওতায় ১০টি ড্রোন সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকবে। কোথাও অবৈধ জমায়েত বা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অবস্থানের চেষ্টা হলে আগেই তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
সংখ্যালঘু ভোটারদের নিরাপত্তা বিষয়ে কমিশনার বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কেউ ভোট দিতে বাধা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এছাড়াও সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব সদস্যরাও মাঠে থাকবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
এদিকে র্যাব-৯ এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার তাজমিনুর রহমান চৌধুরী বলেন, সিলেটে সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া বড় ধরনের কোনো হুমকি বা ঝুঁকি নেই। তিনি বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযানে ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে সংখ্যালঘু ও চা শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ভোটারদের নিরাপত্তা ও আস্থা নিশ্চিত করতে টহল ও নজরদারি চালানো হচ্ছে। এছাড়া অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ৫৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন রয়েছে বলে জানান সিলেট সেক্টর কামান্ডার কর্ণেল মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দীন।
সিলেটের ১৯ আসনে ভোটযুদ্ধে লড়বেন ১০৫ প্রার্থী:
আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সিলেটের ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৬টি আসনে ৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। এসব আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ৫টি আসনে মনোনয়ন দিয়েছে এবং একটি আসনে শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী রয়েছে। সিলেটের ছয়টি আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৩ জন প্রার্থী দিয়েছে, বাকি ৩টি আসনে ১১দলীয় জোটের শরিক খেলাফত মজলিসের ২ জন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ১ জন প্রার্থী রয়েছে। জাতীয় পার্টি থেকে সিলেটের ৪টি আসনে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। গণঅধিকার পরিষদ থেকে ৩টি আসনে প্রার্থী রয়েছে। এছাড়া ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, গণফোরাম এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে একজন করে প্রার্থী রয়েছেন।
মৌলভীবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে ২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এসব আসনে ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। এখানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে ৩ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে এবং একটি আসনে জোটের প্রার্থী রয়েছে। বিএনপি চারটি আসনেই প্রার্থী দিয়েছে। জাতীয় পার্টি থেকে ৩টি আসনে প্রার্থী রয়েছে। এছাড়া গণঅধিকার পরিষদ, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে একজন করে প্রার্থী রয়েছেন।
সুনামগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ৪ জন স্বতন্ত্র, বাকি সবাই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী। এখানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চারটি আসনে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল পাঁচটি আসনেই প্রার্থী দিয়েছে। খেলাফত মজলিস ও জাতীয় পার্টি দুটি করে আসনে এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টি একজন করে প্রার্থী দিয়েছে।
হবিগঞ্জের চারটি সংসদীয় আসনে ২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী, বাকিরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের। এখানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল চারটি আসনেই প্রার্থী দিয়েছে। খেলাফত মজলিস তিনটি আসনে, জাতীয় পার্টি দুটি আসনে, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট দুটি আসনে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট দুটি আসনে এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ দুটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। এছাড়া ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন, জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে একজন করে প্রার্থী রয়েছেন।
সিলেটের বিভাগে মোট ১৯ টি আসন রয়েছে। ৪ জেলার রিটার্নিং অফিসারদের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের ১৯টি সংসদীয় আসনে মোট ১০৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর বিভাগে মোট ভোটার ৭৮ লাখ ৫৫ হাজার ৮৩৩ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় মোট ভোটার ২৭ লাখ ১৫ হাজার ৩৩১ জন। সুনামগঞ্জে ১৯ লাখ ২২ হাজার ১৬৯ জন, হবিগঞ্জে ১৭ লাখ ১ হাজার ৭৪৫ জন, মৌলভীবাজারে ১৫ লাখ ১৬ হাজার ৫৮৮ জন ভোটার রয়েছেন।
২৯৩৭টি কেন্দ্রে পৌঁছেছে ভোটের সরঞ্জাম:
সিলেট বিভাগে মোট ভোট কেন্দ্র আছে ২৯৩৭টি। বুধবার সকালে এসব কেন্দ্রে ভোটের সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়। নগরীর সিলেট ক্রীড়া কমপ্লেক্স থেকে সকালে সরঞ্জামাদি প্রেরণ শুরু হয়। এদিকে বিভাগের ১৯টি আসনের ২৯৩৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১২৬টি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিন্থিত করেছে পুলিশ।
এসব কেন্দ্রগুলোতে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সিলেটে এলো ৩৬ হাজার পোস্টাল ব্যালট: এদিকে পোস্টাল ব্যালটে ৪২ হাজার নিবন্ধন করা হলেও এরই মধ্যে ৩৬ হাজার পোস্টাল ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেন সিলেটের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। তিনি বলেন, যেসব কেন্দ্র অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, সেগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ জন পুলিশ ও ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই উল্লেখ করে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ইতিহাসের সবচেয়ে ভালো নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি রয়েছে। সীমান্তবর্তী ছয়টি উপজেলায় স্থায়ীভাবে সেনা মোতায়েন না থাকলেও প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর টহল টিম পাঠানো হবে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




