সরু ও ভাঙা ব্রিজে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন মানুষ
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০১:৩৯ AM

নবীগঞ্জের দৌলতপুরে নতুন সেতু নির্মাণের দাবি

সরু ও ভাঙা ব্রিজে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন মানুষ

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১২/০৫/২০২৬ ১২:০৭:৪১ AM

সরু  ও ভাঙা ব্রিজে  ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন মানুষ

ছবি:নিজস্ব


 হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের দৌলতপুর এলাকায় শেরখাই নদীর ওপর নির্মিত পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ একটি সরু ব্রিজ এখন স্থানীয়দের জন্য যেন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারবিহীন অবস্থায় থাকা ব্রিজটি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছেন উত্তরাঞ্চলের প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ৫০ বছর আগে নির্মিত অপরিকল্পিত ব্রিজটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। কোথাও রড ও পাথর বেরিয়ে গেছে, আবার অধিকাংশ রেলিং ভেঙে পড়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

এই ব্রিজের ওপর নির্ভরশীল দৌলতপুর, মথুরাপুর, ফাদুল্লাহ, গালিমপুর ও মাধবপুরসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। এলাকাটিতে স্কুল, মাদ্রাসাসহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতেও চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, সঈদপুর বাজার থেকে সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের দীঘলবাক ইউনিয়নের সাইনবোর্ড বাজার পর্যন্ত সড়কের কিছু অংশ পাকা করা হলেও দৌলতপুর থেকে মথুরাপুর পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা এখনো ইটসোলিং অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া পাকা অংশের অনেক স্থানও ভেঙে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে শেরখাই নদীর তীরে দৌলতপুর বাজার এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একটি আধুনিক ও স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।

এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি আব্দুর রউফ, আব্দুল মতিন, সমাজকর্মী আরজু মিয়া, আবুল হোসেন ও স্বপন আহমেদ বলেন, বিকল্প কোনো সড়ক ব্যবস্থা না থাকায় জরুরি রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, আধুনিক যুগের বাস্তবতায় এই ভাঙাচোরা সরু ব্রিজ কোনোভাবেই উপযোগী নয়। দ্রুত পুরোনো ব্রিজটি ভেঙে নতুন সেতু নির্মাণ এবং সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ