হাওরাঞ্চল পানিতে নিমজ্জিত
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় বছরের প্রথম বারের মতো গত ৪ দিনের টানা বারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে বন্যার পানিতে নিম্নাঞ্চল ও হাওরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বাড়তে শুরু করেছে উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি। পিয়াইন, সারী গোয়াইন নদীর পানিও বাড়তে শুরু করেছে। পাহাড়ি ঢলের কারণে ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়ে পড়েছে কয়েকটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল এলাকা। এসব এলাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
আলীরগাঁও থেকে সংবাদকর্মী রিয়াজুল ইসলাম জানান, সারী গোয়াইনঘাট রাস্তার বিভিন্ন অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যান এবং জন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। সারী-গোয়াইনঘাট রাস্তার ব্রিকফিল্ড হইতে আলীরগাঁও কলেজ পর্যন্ত এবং লাফনাউট মাদ্রাসার সামনে প্লাবিত হয়ে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত। এখন পর্যন্ত গাড়ী চলাচল করতে পারলেও বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরবর্তীতে চলাচল বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী।
রাধানগর থেকে কামরুল ইসলাম জানান,হাজী কালা মিয়ার ফিসারীর সামনে প্রধান সড়কের উপর হাটু পানি ও শিমুল তলায় যেখানে নতুন ব্রীজের কাজ চলছে সেখানে কোমর পানি, এতে গাড়ি চলাচল না হওয়ায় মানুষ নৌকা নিয়ে পারাপার করছে। যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বিভিন্ন স্থানে নিচু এলাকার কিছু রাস্তা, মাঠঘাট ও গো-চারণ ভূমি তলিয়ে গেছে।তবে উপজেলার বেশিরভাগ ইউনিয়নের হাওরাঞ্চল পানিতে নিমজ্জিত।
রুস্তমপুর ইউনিয়ন থেকে সাংবাদিক আজিজুর রহমান জানান, ইউনিয়নের ঝারিখালকান্দি,লামার দমদমা,পাতলিকোনা,হাদারবিল,গোজারকান্দি,লামনী গ্রাম পানির বেষ্টনীতে রয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শীর্ষেন্দু পূরর্কায়াস্থ জানান, উপজেলার সারী গোয়াইনঘাট নদীতে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। অতিবৃষ্টির কারনে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির মাধ্যমে নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই। এদিকে দুই এক স্থানে নিচু জায়গার রাস্তা পানির নিচে গেছে। আগামী দুই দিনের বৃষ্টির অবস্থা পর্যবেক্ষনে বুঝা যাবে বন্যা পরিস্থিতি কেমন হবে।এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বন্যার পানি বাড়ছে এমন খবর পাওয়া গেছে এবং বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত রয়েছে।
জৈন্তাবার্তা/এমকে




