ছবি:সংগৃহীত
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, কাজিরবাজার মৎস্য ও তরকারি বাজার ইজারা সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্ট সব নথিপত্র ও আইনি বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে কাজিরবাজার মৎস্য ও তরকারি বাজার পরিদর্শনকালে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনের সময় প্রশাসক বাজারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন অভিযোগ ও মতামত মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এ সময় বাজারের একাংশের মৎস্য আড়ৎদাররা বাজার ইজারা নিয়ে তাদের আপত্তির বিষয়টি প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন।
জবাবে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সব নথিপত্র এবং আইনি বিষয় যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে আইনসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা যেন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সব পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুসারে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, কাজিরবাজার মৎস্য ও তরকারি বাজার জেলা প্রশাসনের ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত একটি বাজার। প্রচলিত আইন অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশন এলাকার ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত বাজারগুলোর ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের ওপর ন্যস্ত। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে ১৪৩৩ বাংলা সনের জন্য বাজারটি ইজারা দেওয়া হয় এবং পহেলা বৈশাখ থেকে ইজারাগ্রহীতার কাছে বাজারটির দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেবসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




