ছবি:সংগৃহীত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দাসের বাজার ইউনিয়নের উত্তর লঘাটি গ্রামের প্রবাসী ব্যবসায়ী, তরুণ সমাজসেবক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষানুরাগী মুহিবুর রহমান কলিম।
নিজস্ব অর্থায়নে তিনি দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে একটি আধুনিক ও নান্দনিক পানির ফোয়ারা নির্মাণ করছেন। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সেবা সহজ করতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে একটি ডিজিটাল ফটোকপি মেশিন হস্তান্তর করেছেন। এছাড়া ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সংস্কারকাজ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করেছেন তিনি।
সম্প্রতি ফোয়ারা নির্মাণকাজ পরিদর্শন এবং ফটোকপি মেশিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক রঞ্জন দাস বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে মুহিবুর রহমান কলিম যে আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তাঁর সহযোগিতা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-উভয়ের জন্যই উপকার বয়ে আনবে।’
মুহিবুর রহমান কলিম বলেন, ‘নিজ এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সামান্য অবদান রাখতে পেরে আমি আনন্দিত। ভবিষ্যতেও শিক্ষা, মানবসেবা ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে চাই।’
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট টেকনিশিয়ান সাহাজান সিরাজ বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ সমাজের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।’
বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক মোহাম্মদ মস্তফা উদ্দিন বলেন, ‘মুহিবুর রহমান কলিমের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, প্রবাসে থেকেও একজন মানুষ আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা থাকলে নিজের এলাকার শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক রঞ্জিত কুমার দাস, সহকারী শিক্ষক মাওলানা আব্দুল হামিদ, বিবেকানন্দ বিশ্বাস, হাসেম আলী, মঞ্জুরুল ইসলাম, আইসিটি শিক্ষক দীপক দাস, বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, দাসের বাজার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবুল হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, মুহিবুর রহমান কলিমের মতো প্রবাসী সমাজসেবীরা নিজ নিজ এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এগিয়ে এলে শিক্ষার পরিবেশ, অবকাঠামো ও শিক্ষার মান আরও সমৃদ্ধ হবে। তাঁর এই উদ্যোগ অন্য বিত্তবান ও প্রবাসীদেরও জনকল্যাণমূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




