সারাদেশে গ্যাসের চাপ কম থাকবে
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৪ PM

সারাদেশে গ্যাসের চাপ কম থাকবে

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৭/০৭/২০২৬ ০২:৩৯:০২ PM

সারাদেশে গ্যাসের চাপ কম থাকবে

প্রতীকী ছবি


বৈরী আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে নির্ধারিত কার্গো থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা যায়নি। এতে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে দেশের সব শ্রেণির গ্রাহককে গ্যাসের স্বল্পচাপের সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে বলে মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা। সংস্থাটি বলেছে, আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে।

সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।

আমদানি করা এলএনজি মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে পুনরায় গ্যাসে রূপান্তরের পর জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হয়। সেখান থেকে বিতরণ কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্র, সার কারখানা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট, সিএনজি স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকদের কাছে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। তাই এফএসআরইউ থেকে সরবরাহ কমে গেলে শুধু আবাসিক খাত নয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প কার্যক্রমও চাপের মুখে পড়ে।

পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনালের সম্মিলিত দৈনিক সরবরাহ সক্ষমতা ১ হাজার ১০০ এমএমসিএফডি। তবে কারিগরি সীমাবদ্ধতা, আবহাওয়ার অবস্থা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে সাধারণ সময়ে জাতীয় গ্রিডে ৮০০ থেকে ১ হাজার এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়।

বর্তমান দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নির্ধারিত এলএনজি কার্গোর ডেলিভারি শুরু করা না যাওয়ায় সরবরাহ কমে প্রায় ৫০০ এমএমসিএফডিতে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা।

দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন কমে যাওয়ায় গত কয়েক বছরে আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। ফলে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলেই জাতীয় গ্যাস গ্রিডে চাপ কমে যায়। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে যেসব এলাকায় আগে থেকেই গ্যাসের চাপ তুলনামূলক কম, সেসব অঞ্চলের গ্রাহকদের ওপর।

জৈন্তাবার্তা/আরআর