ছবি:সংগৃহীত
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিশাল জশনে জুলুস ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ জশনে জুলুসে প্রায় ১২ হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন।
সকাল ৯টার দিকে বিভিন্ন সমাজের মুরব্বিদের নেতৃত্বে খণ্ড খণ্ড জুলুস জাফলং চা-বাগান এলাকায় এসে মিলিত হয়। পরে প্রায় ৩০টি সমাজের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন এবং তরিকাপন্থী জাকেরান-আশেকানরা ব্যানার নিয়ে জুলুসে অংশ নেন।
সকাল ১০টার দিকে জাফলং চা-বাগান এলাকা থেকে মূল জশনে জুলুসটি বের হয়। জুলুসটি জাফলং বাজার, মামার বাজার, মোহাম্মদপুর, কালিনগর ও মুসলিমনগরসহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে লাখেরপাড় হামিদ আলী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
পরে বিদ্যালয় মাঠে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক ইউপি সদস্য মোহন মেম্বারের সভাপতিত্বে এবং কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নাছির উদ্দীন রেজবী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী মোল্লার যৌথ সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন ছৈলাখেল অষ্টম খণ্ড কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা বশির বিন আব্দুল আজিজ, মাওলানা শহিদুল্লাহ জিহাদী, মাওলানা আনাইত উল্লাহ, মাওলানা সাইফুল ইসলাম দুলালী, মাওলানা গিয়াসউদ্দিন বুলবুল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাহিদ খান, শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল জলিল, কমিটির সাবেক সভাপতি সারোয়ার হোসেন (ছেদু) ও ছৈলাখেল অষ্টম খণ্ড কমিটির সভাপতি হাজী হোসেন মিয়াসহ অন্যরা।
বক্তারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শুভাগমন, অনুপম জীবনাদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ, ন্যায়-ইনসাফ, ভ্রাতৃত্ব ও শান্তির বাণী নিয়ে আলোচনা করেন।
তাঁরা বলেন, মহানবী (সা.) মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম আদর্শ রেখে গেছেন। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে ন্যায়, মানবিকতা, সম্প্রীতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
সভায় কমিটির নেতৃবৃন্দ, সাবেক ইউপি সদস্য লেবুসহ রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশ ও জাতির শান্তি-শৃঙ্খলা, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনার পাশাপাশি বিশ্বের সব ধর্মপ্রাণ মুসলমানের শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য দোয়া করা হয়।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




