ছবি:সংগৃহীত
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে সমাজসেবা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হয়। সমাজের দরিদ্র, অসহায় ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ডসহ নানা সুবিধা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট জেলা সমাজসেবা কমপ্লেক্সে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় মৌলিক দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক বেসিক কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে প্রশিক্ষণোত্তর সনদ ও সম্মানীর চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সুযোগ আরও বাড়াতে হবে। শুধু আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিবর্তে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের কর্মদক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে তারা নিজেরাই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন। এতে পরিবারে স্বচ্ছলতা ফেরানোর পাশাপাশি সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ তরুণদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর সন্তানদের এ ধরনের প্রশিক্ষণের আওতায় এনে তাদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিলেট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আব্দুর রফিক। তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সমাজসেবা অধিদপ্তর ৫৪টি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১৮টি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। হিজড়া জনগোষ্ঠী, চা-শ্রমিক পরিবারসহ বিভিন্ন অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর সন্তানরা বেসিক কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন কোর্স সম্পন্ন করেছেন।
অনুষ্ঠানে সমাজসেবা কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত বেসিক কম্পিউটার কোর্সে অংশ নেওয়া ২৫ জন প্রশিক্ষণার্থীর প্রত্যেকের হাতে ৫০ হাজার টাকা করে সম্মানীর চেক ও প্রশিক্ষণোত্তর সনদ তুলে দেন প্রধান অতিথি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত শিশু পরিবারের অধ্যক্ষ রফিকুল হক।
এর আগে অনুষ্ঠানে একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে একটি হুইলচেয়ার তুলে দেওয়া হয়।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




