ছবি সংগৃহীত
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে আজ রবিবার (৬ অক্টোবর) মাঠে নামবে বাংলাদেশ। আর এই ম্যাচটি ঘিরে মাঠের বাইরে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনী। তিন স্তরে থাকবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সোমবার (৭ অক্টোবর) পর্যন্ত জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। যা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা সাবেক ভারতীয় ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৪ ধারার সমতুল্য। এতে করে শহরজুড়ে কোনো ধরনের আন্দোলন করা বা ধর্মীয় কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার মতো উসকানিমূলক কোনো কিছু ছড়ানো যাবে না। কঠোর নজরদারিতে থাকবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও।
গেল ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলার অভিযোগে এই সিরিজ বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছিল ভারতের কয়েকটি ধর্মীয় সংগঠন। সবশেষ বৃহস্পতিবারও স্টেডিয়ামের বাইরে ও শহরের বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন করতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের। যদিও এই কার্যক্রম সূচি প্রকাশের পর থেকেই করা হচ্ছিল। সে সময় হাল্কাভাবে নিলেও ম্যাচের আগে কঠোর অবস্থানে স্থানীয় প্রশাসন।
ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের এ প্রতিবেদন অনুসারে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সুপারিনটেনডেন্টের সুপারিশ অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর পর্যন্ত গোয়ালিয়র জেলায় বিক্ষোভ ও উসকানিমূলক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর রুচিকা চৌহান। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিত (বিএনএসএস) আইনের ১৬৩ ধারা অনুযায়ী, এ সময়ে বিক্ষোভ মিছিল করা যাবে না।
প্রতিবেদনে আরো জানিয়েছে, প্রশাসনের নজরদারিতে থাকবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও। যদি কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে এমন কিছু পোস্ট করে- যাতে ম্যাচ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই ভাবে কেউ যদি এমন কিছু পোস্ট করে যাতে অন্যের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত পৌঁছায়, সেক্ষেত্রেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও শহরে কোনো ধরনের কুশপুত্তলিকা দাহ বা বিক্ষোভ কোনো কিছু সোমবার পর্যন্ত করা যাবে না। পাঁচ জনের বেশি একসঙ্গে কোথাও জমায়েত করতে পারবেন না।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




