সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ ৭ জনের বিরু*দ্ধে মা ম লা
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৫ AM

দুর্নীতির অভিযোগ

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ ৭ জনের বিরু*দ্ধে মা ম লা

মনোয়ার চৌধুরী

প্রকাশিত: ২৮/০৭/২০২৫ ১০:০১:২৪ PM

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ ৭ জনের বিরু*দ্ধে মা ম লা

ছবি: নিজস্ব


সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে আউট সোর্সিং নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি, হাসপাতালের ওষুধপত্র বাইরে বিক্রি করে দেওয়া, হাসপাতালের যন্ত্রাংশ কেনাকাটা এবং মেডিকেল সরঞ্জাম কেনাকাটায় দুর্নীতির  অভিযোগে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা  করেছেন এক ভুক্তভোগী।

সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে মামলার আবেদন করেন হাসপাতালের সাবেক ওয়ার্ড বয় মো. তৌহিদ মিয়া।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান স্বপনকে। এর আগেও ওই ভুক্তভোগী সাংবাদিক সম্মেলন করে আউট সোর্সিং নিয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ করেন। পরে দুদকেও অভিযোগ করেন তিনি। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে পরে আদেশ দিবেন বলে বাদীর আইনজীবী জানিয়েছেন

মামলার অন্য আসামিরা হলেন, সুনামগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্য ও সাবেক কাউন্সিলর মো. মোশারফ হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা সাজিদুর রহমান, হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান জুবায়ের আহমদ, হাসপাতালের হেলথ এডুকেটর নয়ন দাস, শফিকুল ইসলাম ও গাউসিয়া ট্রেডার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ মজুমদার।

আদালতে দায়ের করা আবেদন থেকে জানা যায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান স্বপনের স্বাক্ষরে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে  জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। পরে গাউসিয়া ট্রেডাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একে আজাদ মজুমদারের সঙ্গে আঁতাত করে ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে তার অদক্ষ কোম্পানিকে জাল কাগজপত্র থাকার পরও কাজ পাইয়ে দেন। আউট সোর্সিং নিয়োগে হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান জুবায়ের আহমদ ও হেলথ এডুকের নয়ন দাসের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক এসব দুর্নীতি করছেন। তত্বাবধায়ক মাহবুবুর রহমান স্বপন তাদের মাধ্যমেই নিয়োগপ্রাপ্তদের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়াও হাসপাতালের যন্ত্রাংশ ক্রয়, কিট, রাসায়নিক উপাদান, প্যাথলজি উপাদান ক্রয়সহ হাসপাতালের নানা উপকরণ কেনা কাটার নামেও তিনি দুর্নীতি করছেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। একটি সিন্ডিকেট ভূয়া ও অখ্যাত কোম্পানির উপকরণ কমিশন পেয়ে ক্রয় করছে উল্লেখ করে তিনি আবেদনে উল্লেখ করেন, তত্ত্বাবধায়ক মেডিকেলের দালালদের সহায়তায় হাসপাতালের লেবার ওটি না করে স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতাল আনিসায় রোগি প্রেরণ করে কমিশন নিচ্ছেন। সরকারি বিনামূল্যের ওষুধপত্র রোগিদের না দিয়ে বাইরে থেকে উচ্চমূল্যে কেনা হয় বলেও তিনি আবেদনে উল্লেখ করে বলেন, হাসপাতাালের বিনামূল্যের সরকারি ওষুধ ও মেডিকেল উপকরণ বাইরের ফার্মেসিতে বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়াও হাসপাতালের সুই, সুতা, গজ-ব্যান্ডেজ ক্রয়েও অনিয়ম হচ্ছে বলে অভিযোগ বাদীর।

তাছাড়া এবার হাসাপাতালে আউট সোর্সিং পদ্ধতিতে  জনবল নিয়োগে প্রার্থীদের কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা করে অন্তত কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে মামলার আবেদনে উল্লেখ করেন তিনি।

অভিযোগকারী তৌহিদ মিয়া বলেন, এর আগেও আমি তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান স্বপনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে মামলা করেছি। এবার আদালতে সকল প্রমাণ দাখিল করে অভিযোগ দায়ের করেছি। আদালত আমার অভিযোগ আমলে নিয়েছেন।

তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান স্বপনের মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

বাদীর আইনজীবি এডভোকেট মো. আমিরুল হক বলেন, আদালত মামলাটি আমলে নিয়েছেন। এ বিষয়ে পরে আদেশ দিবেন।

জৈন্তাবার্তা / এম সি



শীর্ষ সংবাদ:

চার বছরেও চালু হয়নি ওজন পরিমাপক যন্ত্র, ঝুঁকিতে রানীগঞ্জ সেতু-সড়ক
আশ্বাসেও কাটেনি অ/চলাবস্থা, অনড় সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা
প্রাথমিক শিক্ষা শিক্ষার সব স্তরের শিকড়- সিসিক প্রশাসক
শিক্ষাকে ধ্বংস করা হয়েছে, পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে : এমপি নাসির উদ্দীন আহমেদ
দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান
আন্দোলনের মধ্যেই সিকৃবিতে ভিসি বদল
সিলেট দেশের প্রথম প্লাস্টিক দূষণমুক্ত শহর হবে - সিসিক প্রশাসক
উ'ত্তাল সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, অ'বরুদ্ধ ১৪ শিক্ষক
সিলেটে হাম সন্দেহে আরেক শিশুর মৃ'ত্যু, নতুন শনাক্ত ১৬ জন
চূড়ান্ত নিয়োগে বাদ জগন্নাথপুরের ৭ শিক্ষক প্রার্থী, বিস্ময়-ক্ষো*ভ-হতাশা