ছবি : সংগৃহীত
আকস্মিক বন্যা হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছিল পানি উন্নয়ন বোর্ড ও আবহাওয়া অধিদপ্তর। আশঙ্কা অনুযায়ী গত কয়েকদিন ধরে সিলেট অঞ্চলে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও উজানে ভারতের কয়েকটি রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তার প্রভাব পড়েছে সিলেট অঞ্চলের প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারায়। এমনকি বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে সুরমা ও কুশিয়ারার তিন পয়েন্টে।
সোমবার পর্যন্ত কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমার পানি বিপৎসীমার নিচে থাকলেও মঙ্গলবার সকাল ৯টার পর থেকে এ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এসময় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল বিপৎসীমার শূণ্য দশমিক শূণ্য ৫ মিটার উপর দিয়ে। দুপুর ১২টা পানি বেড়ে প্রবাহিত হচ্ছিল শূণ্য দশমিক ২১ মিটার উপর দিয়ে। তবে সন্ধ্যা ৬টার হিসাবে দিতে পারেনি সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড।
তাছাড়া সুরমা সিলেট পয়েন্টেও বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই অবস্থায় প্রবাহিত হচ্ছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় এ পয়েন্টে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল বিপৎসীমার ১ দশমিক ৬১ মিটার নিচ দিয়ে। এদিকে কুশিয়ারা সিলেটের আমলশীদ পয়েন্টে সোমবারই বিপৎসীমা অতিক্রম করেছিল। এ পয়েন্টে সোমবার সন্ধ্যায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল বিপৎসীমার শূণ্য দশমিক ৬৩ মিটার নিচ দিয়ে। মঙ্গলবার সকাল ৬টায় প্রবাহিত হচ্ছিল শূণ্য দশমিক ৮৮ মিটার উপর দিয়ে। আর সন্ধ্যা ৬টায় প্রবাহিত হচ্ছিল শূণ্য দশমিক ৯৫ মিটার উপর দিয়ে। শেওলায় কুশিয়ারা সোমবার সন্ধ্যায় বিপৎসীমার নিচে ছিল। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল বিপৎসীমার শূণ্য দশমিক শূণ্য ২ মিটার উপর দিয়ে। আর সন্ধ্যা ৬টায় প্রবাহিত হচ্ছিল শূণ্য দশমিক শূণ্য ৫ মিটার উপর দিয়ে।
কুশিয়ারা ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমা প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় এ পয়েন্টে পানি শূণ্য দশমিক শূণ্য ৬ মিটার নিচ দিয়ে আর শেরপুর পয়েন্টে একই সময়ে প্রবাহিত হচ্ছিল শূণ্য দশমিক ৬৪ মিটার নিচ দিয়ে।
জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার




