সিলেটে পুলিশের কেউ টোকেন বাণিজ্যে জ ড়ি ত থাকলে ব্যবস্থা: এসএমপি কমিশনার
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ০৫:৫৫ AM

সিলেটে পুলিশের কেউ টোকেন বাণিজ্যে জ ড়ি ত থাকলে ব্যবস্থা: এসএমপি কমিশনার

মুহাজিরুল ইসলাম রাহাত, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪/০৯/২০২৫ ০৯:০৩:১৩ PM

সিলেটে পুলিশের কেউ টোকেন বাণিজ্যে জ ড়ি ত থাকলে ব্যবস্থা: এসএমপি কমিশনার

ছবি: নিজস্ব


অবৈধ সিএনজি অটোরিকশার টোকেন বাণিজ্যে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী। আজ বুধবার ( ২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে  এসএমপি সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলন করে এসব বলেন তিনি।

তিনি বলেন ‘সিলেট নগরীতে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান পর্যায়ক্রমে আরো বাড়ানো হবে। এরই মধ্যে ৫টি পয়েন্টে থেকে বাড়িয়ে ১০টি পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া তিনটি মোবাইল টিম নগরীর অলিগলিতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। নগরী পুরোপুরি ব্যাটারি রিকশামুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

চার্জিং পয়েন্টে অভিযান ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার প্রসঙ্গে কমিশনার বলেন, ‘নগরীতে ব্যাটারি রিকশার চার্জিং পয়েন্টগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে ৩৮টি চার্জিং পয়েন্টের তালিকা আছে। সে অনুযায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কাজ চলছে। এ তালিকার বাইরে অন্য যেসব চার্জিং পয়েন্ট চিহ্নিত হবে, সেগুলোর বিরুদ্ধেও একই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

হকার উচ্ছেদের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘লালদিঘীরপারে হকার্স মার্কেটের প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে খুব শিগগিরই ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান শুরু হবে। সিলেটকে নিরাপদ, হকারমুক্ত ও যানজটমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

সিলেট শহরের বিভিন্ন ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের সামনে অবৈধ গাড়ি পার্কিংয়ের বিষয়ে এসএমপি কমিশনার বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণে উৎসাহিত করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সাথে কথা বলা হবে যাতে তারা নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করেন। খুব শীঘ্রই আমরা এই বিষয়গুলোতে কাজ শুরু করবো।’

এসময় হোটেলগুলোতে অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে তিনি বলেন, ‘নগরীতে অসামাজিক কার্যকলাপ প্রতিরোধে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নগরীর আবাসিক ও উচ্চমানের হোটেল মালিকদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। এসব হোটেলে যদি অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ না হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট হোটেল সিলগালা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ ও পোশাকধারী পুলিশ প্রতিদিন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।’

জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার