ছবি:সংগৃহীত
প্রায় ২১ বছর পর দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নে শ্বশুরবাড়ি বিরাইমপুর গ্রামে গেলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার রাত ১০টায় তিনি স্ত্রী জুবাইদা রহমানের বাবার বাড়ি বিরাইমপুর গ্রামে যান। সেখানে তিনি এক থেকে দেড় ঘণ্টা অবস্থান করেন।
স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, এই সফরকে কেন্দ্র করে এলাকায় আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। জিয়া ফাউন্ডেশন ইউরোপের সমন্বয়ক ও সিলাম এলাকার বাসিন্দা শরীফুল ইসলাম স্বপন জানান, বহু বছর পর তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও শিরণী বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই আনন্দিত। এ উপলক্ষে ৪০ হাড়ি আখনি রান্না করা হচ্ছে। দোয়ার পর প্রায় ১২ হাজার মানুষের মধ্যে শিরণী বিতরণ করা হবে।’
জুবাইদা রহমানের চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলী খান বলেন, ‘খুব অল্প সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত হওয়ায় চাইলেও অনেক কিছু করা সম্ভব হয়নি। তারপরও শতাধিক মানুষ পৈতৃক বাড়ির মেরামত ও চার দিন ধরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে যুক্ত ছিলেন, যেন তিনি এসে একটি আন্তরিক ও সুন্দর পরিবেশ পান।’
তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের বিয়ে হয় ১৯৯৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি। জুবাইদা রহমানের বাবা প্রয়াত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান নৌবাহিনীর প্রধানের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রীর দায়িত্বেও ছিলেন।
এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গ্র্যান্ড সিলেট হোটেলে অরাজনৈতিক তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তারেক রহমান। পরে বেলা ১১টায় নগরের চৌহাট্টা এলাকার সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় তার বক্তৃতা দেওয়ার কথা রয়েছে।
সিলেটের কর্মসূচি শেষ করে তিনি সড়কপথে ঢাকায় ফিরবেন। পথে মৌলভীবাজারের শেরপুর ও হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে পৃথক দুটি জনসভায় অংশ নেবেন তারেক রহমান। এসব সভায় সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




