প্রবাসীদের শুধু ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ নয়, মেধা-অভিজ্ঞতাও কাজে লাগাতে হবে :আরিফুল হক চৌধুরী
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০৫:৩৩ AM

প্রবাসীদের শুধু ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ নয়, মেধা-অভিজ্ঞতাও কাজে লাগাতে হবে :আরিফুল হক চৌধুরী

সাইফুল ইসলাম বাবু, জৈন্তাপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৫/০১/২০২৬ ০৬:৩৫:২৫ PM

প্রবাসীদের শুধু ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ নয়, মেধা-অভিজ্ঞতাও কাজে লাগাতে হবে :আরিফুল হক চৌধুরী

সংগৃহিত


প্রবাসীদের কেবল ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ হিসেবে না দেখে তাদের মেধা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা প্রয়োজন—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপি মনোনীত সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মেয়র জননেতা আরিফুল হক চৌধুরী।

রোববার (২৫ জানুয়ারি ২০২৬) জৈন্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আয়োজিত দিনব্যাপী গণসংযোগ ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সিলেট অঞ্চলের একটি বড় জনগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে বসবাস করছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মেধাবী তরুণরা ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছে। তাদের দেশের প্রতি আকৃষ্ট করা শুধু আবেগের বিষয় নয়, বরং এটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য একটি বড় সম্ভাবনা।তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের প্রবাসীরা ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তাকে বেশি গুরুত্ব দেয়। সিলেটসহ গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় যদি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল কিংবা আইটি পার্কে প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা যায়, তবে তারা বিনিয়োগে আগ্রহী হবে। এতে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

 প্রবাসী তরুণ প্রজন্মকে দেশের প্রতি আকৃষ্ট করতে হলে সুন্দর পরিবেশ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি।এর আগে আরিফুল হক চৌধুরী গোয়াইনঘাট উপজেলার গুলতি চা-বাগান এবং জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখাল চা-বাগানে শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া শোনেন।চা-শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, চা-শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার। নির্বাচিত হলে চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি।

পৃথক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুস শুকুর, তাঁতীদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ফয়েজ আহমদ দৌলত, সিলেট জেলা বিএনপির তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মালেক, জেলা তাঁতী দলের সদস্য সচিব আলতাফ বিলাল, মহানগর কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোসারফ হোসেন, জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইন্তাজ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহিবুল হক মুহিব, ফতেপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাজী আব্দুল মসব্বির, দরবস্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, লালাখাল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হেলাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক হাফিজ জালাল, লালাখাল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল, নিজপাট ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস শুকুরসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

জৈন্তাবার্তা/সুলতানা