এআই দিয়ে করা
মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে এক যুবককে ডেকে এনে অপহরণ, আটকে রেখে নির্যাতন এবং মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় অপহৃত যুবক জিল্লুর রহমান (২৭) কে উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (১ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ নগরীর কুনিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের আটক করে।
আটককৃতরা হলেন- কুনিপাড়ার বাসিন্দা মীম আক্তার নাহিদা (২২), তার ভাই মিল্লাত (২০), মা শিল্পি দেওয়ান (৪০), শাহপরান থানার কল্লগ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে এমরান খান (২৪) এবং সুরমা গেইট এলাকার স্বপন আহমেদ (২৩)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম জিল্লুর রহমানের সঙ্গে মীম আক্তার নাহিদার মোবাইল ফোনে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ গড়ে ওঠে। ঘটনার দিন পূর্বপরিকল্পিতভাবে মীম জিল্লুর রহমানকে দেখা করার জন্য নগরীতে আসতে বলেন।
সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডের বড়বাজার গলির মুখে পৌঁছালে মীম ও তার সহযোগীরা জিল্লুর রহমানকে জোরপূর্বক ধরে মারধর করে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে কুনিপাড়ার একটি বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এ সময় এমরান খান ভিকটিমের পকেটে থাকা নগদ ৮ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং পরিবারের কাছে আরও ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। অপহরণকারীদের কবল থেকে বাঁচতে জিল্লুর রহমান চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পান।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করা হলে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালায়। অভিযানে অপহৃত যুবককে উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত পাঁচজনকে আটক করা হয়।
এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মনজরুল আলম।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




