সংগৃহিত
সিলেট মহানগরীর নবাব রোড এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় আরও এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে মহানগরীর বন্দরবাজার এলাকা থেকে ফুয়াদ আহমদ (৩২) নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সিলেট নগরীর কোতোয়ালী থানার বিলপার এলাকার বাসিন্দা কয়েস আহমদের ছেলে।
পুলিশ জানায়, নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের মিছিলের ঘটনায় দায়ের করা মামলার ১৮ নম্বর আসামি ফুয়াদ আহমদ। এ ঘটনায় এর আগে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম বলেন, “মামলার ১৮ নম্বর আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিলেট মহানগরীর নবাব রোড এলাকায় পিডিবি অফিসের সামনে থেকে মদিনা মার্কেটের দিকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৪০ থেকে ৫০ জন নেতাকর্মী একটি ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
এ ঘটনায় কোতোয়ালী থানার এসআই মাসুদ আহমদ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৪০ থেকে ৪৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে পুলিশ অভিযানে মিছিল থেকে ইব্রাহিম মোস্তফা মাহী, সানিয়াত আহমদ, রেদুয়ান আহমদ রাব্বী, আশরাফুল আহমদ শাহী ও সাকির আহমদকে আটক করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মিছিলে আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাজবন্দীদের মুক্তি এবং ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাইনুল জাকির বলেন, “এ মামলায় আগে পাঁচজনকে এবং পরে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান চলছে।”
জৈন্তা বর্তা / ওয়াদুদ




