বিমানযাত্রীর ব্যাগে কু/মিরের কা/টা মাথা
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৪ PM

বিমানযাত্রীর ব্যাগে কু/মিরের কা/টা মাথা

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১/০৯/২০২৬ ০৩:৪২:৫১ PM

বিমানযাত্রীর ব্যাগে কু/মিরের কা/টা মাথা

ছবি:সংগৃহীত


বিমানবন্দরে যাত্রীদের ব্যাগ তল্লাশি করছিলেন পুলিশ সদস্য ও শুল্ক কর্মকর্তারা। এ সময় এক যাত্রীর ব্যাগে সাধারণ কাগজে মোড়ানো একটি পার্সেল দেখতে পান তাঁরা। পার্সেলটি খুলতেই বেরিয়ে আসে কুমিরের কাটা ও শুকনো একটি মাথা।

ইতালির তুরিন শহরের ক্যাসেল বিমানবন্দরে ওই যাত্রীর ব্যাগ থেকে বিপন্নপ্রায় প্রজাতির কুমিরের শুকনো মাথাটি উদ্ধার করা হয়। ওই ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি থেকে ইস্তাম্বুল হয়ে ইতালিতে পৌঁছান।

ইতালির আর্থিক অপরাধ দমন পুলিশ এক বিবৃতিতে জানায়, সংরক্ষিত ও বিপন্নপ্রায় প্রজাতির প্রাণীর অবৈধ বেচাকেনা ঠেকাতে নজরদারি জোরদারের অংশ হিসেবে সেদিন বিমানবন্দরে কাস্টমস কর্মকর্তাদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছিল তারা। এ সময় ওই যাত্রীর লাগেজ তল্লাশি করে কুমিরের কাটা মাথাটি উদ্ধার করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, কুমিরের মাথাটি শুকনো অবস্থায় সাধারণ কাগজে মুড়িয়ে রাখা হয়েছিল। এ কারণে ওই ব্যক্তি যাত্রা শুরুর দেশটির তল্লাশি এড়িয়ে যেতে সক্ষম হন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উপযুক্ত সনদ বা লাইসেন্স ছাড়া সংরক্ষিত প্রজাতির বন্য প্রাণী পাচারের অভিযোগে কুমিরের মাথাটি জব্দ করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ইতালির আইন অনুযায়ী, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই ব্যক্তিকে ২০ হাজার থেকে ২ লাখ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা অথবা ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

১৯৭৩ সালে স্বাক্ষরিত ওয়াশিংটন কনভেনশন অনুযায়ী, কুমির সংরক্ষিত ও বিপন্নপ্রায় প্রাণীর তালিকাভুক্ত। বিশ্বব্যাপী বিপন্নপ্রায় প্রাণী ও উদ্ভিদের অবৈধ বাণিজ্য বন্ধে এই কনভেনশন করা হয়।

‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর তথ্য অনুযায়ী, ইতালিতে বিদেশি পশুপাখির অবৈধ বাণিজ্য রয়েছে, যার সঙ্গে সংগঠিত অপরাধী চক্রের সম্পৃক্ততার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার অনেক স্যুভেনির দোকানে শুকনো কুমিরের মাথা বিক্রি হয়। অনেক পর্যটক এসব পণ্য আইনগতভাবে নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত-এটি না জেনেই উপহার কিংবা স্মারক হিসেবে কিনে থাকেন।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ